ঢাকা ০৪:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্লট দুর্নীতি : হাসিনা-টিউলিপ-আজমিনার মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৫৩:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 8

ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার দুই ভাগ্নি শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকসহ ১৭ জনের মামলায় রায় ঘোষণার তারিখ আগামী ২ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলমের আদালত এই তারিখ ধার্য করেন।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর জহিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আজ এই মামলার যুক্তি তর্কের দিন ধার্য ছিল। কারাগারে থাকা একমাত্র আসামি খুরশীদ আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। অন্যান্য আসামিরা পলাতক থাকায় সেই সুযোগও পাননি। যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত আগামী ২ ফেব্রুয়ারি রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন।

এখন পর্যন্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ৩১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত।

এদিকে একই আদালতে শেখ হাসিনা, টিউলিপ সিদ্দিক ও রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ ১৮ জনের আরেক মামলায় যুক্তি উপস্থাপনের জন্য আগামী ১৮ জানুয়ারি ধার্য করেছেন।

প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগ শেখ হাসিনা তার ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, শেখ রেহানা, তার দুই মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিক এবং ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিদের বিরুদ্ধে পৃথক ৬ মামলা করে দুদক। এর মধ্যে শেখ হাসিনা পরিবারের তিন মামলার বিচার শেষে সাজার রায় এসেছে। শেখ রেহানা ও টিউলিপেরও একটি মামলার রায়ে সাজা হয়েছে।

শেখ পরিবার ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন, জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মো. নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক সদস্য মেজর (অব.) ইঞ্জিনিয়ার সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সরকারের সর্বোচ্চ পদে থাকাকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবার ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। অযোগ্য হলেও তারা পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরে ১০ কাঠা করে প্লট বরাদ্দ নেন।

নতুন প্রজন্মের অনলাইন টিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

প্লট দুর্নীতি : হাসিনা-টিউলিপ-আজমিনার মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি

আপডেট সময় : ০১:৫৩:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার দুই ভাগ্নি শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকসহ ১৭ জনের মামলায় রায় ঘোষণার তারিখ আগামী ২ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলমের আদালত এই তারিখ ধার্য করেন।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর জহিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আজ এই মামলার যুক্তি তর্কের দিন ধার্য ছিল। কারাগারে থাকা একমাত্র আসামি খুরশীদ আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। অন্যান্য আসামিরা পলাতক থাকায় সেই সুযোগও পাননি। যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত আগামী ২ ফেব্রুয়ারি রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন।

এখন পর্যন্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ৩১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত।

এদিকে একই আদালতে শেখ হাসিনা, টিউলিপ সিদ্দিক ও রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ ১৮ জনের আরেক মামলায় যুক্তি উপস্থাপনের জন্য আগামী ১৮ জানুয়ারি ধার্য করেছেন।

প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগ শেখ হাসিনা তার ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, শেখ রেহানা, তার দুই মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিক এবং ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিদের বিরুদ্ধে পৃথক ৬ মামলা করে দুদক। এর মধ্যে শেখ হাসিনা পরিবারের তিন মামলার বিচার শেষে সাজার রায় এসেছে। শেখ রেহানা ও টিউলিপেরও একটি মামলার রায়ে সাজা হয়েছে।

শেখ পরিবার ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন, জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মো. নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক সদস্য মেজর (অব.) ইঞ্জিনিয়ার সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সরকারের সর্বোচ্চ পদে থাকাকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবার ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। অযোগ্য হলেও তারা পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরে ১০ কাঠা করে প্লট বরাদ্দ নেন।