ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় কুরিয়ারের পার্সেল খুলে চাইনিজ কুড়াল পেলো ইউপি সদস্য

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২১
  • / 65

বগুড়া প্রতিনিধি:বগুড়ার শেরপুরে শাহ-বন্দেগী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যের নামে পাঠানো কুরিয়ারে সার্ভিসের পার্সেল খুলেই মিলল চাইনিজ কুড়াল। ঘটনাটি নিয়ে উপজেলা এলাকায় চাঞ্চল্যতার সৃষ্টি হয়েছে।

২৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ‘রিডেক্স হোম ডেলিভারি সার্ভিস’ কুরিয়ারে পার্সেলটি উপজেলার সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) ছাইদার রহমান সাকিবের নামে এটি পাঠানো হয়। এদিকে বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার রাতে কুরিয়ারে পাঠানো ধারালো অস্ত্রটি থানায় জমা দিয়ে একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন ওই ইউপি সদস্য।

থানার ওই জিডি থেকে জানা যায়, ঢাকার গাজীপুর জেলার চল্লিশ নম্বর ওয়ার্ডের বড় বাজার (চামুদ্দা বাজার) থেকে ‘রিডেক্স হোম ডেলিভারি সার্ভিস’ কুরিয়ারে ওই পার্সেলটি ইউপি সদস্য ছাইদার রহমান সাকিবের ঠিকানায় বুকিং দেয়া হয়। ঠিকানায় ওই ইউপি সদস্যের মোবাইল নম্বরও দেয়া হয়।

সে অনুযায়ী আল আমিন নামের এক ব্যক্তি নিজেকে ওই কুরিয়ারের ডেলিভেরিম্যান পরিচয় দিয়ে তার মোবাইল থেকে ইউপি সদস্যের মোবাইলে ফোন দিয়ে শেরপুর বাসস্ট্যান্ডে আসতে বলেন পার্সেলটি নেয়ার জন্য।

এ সময় ইউপি সদস্য ছাইদার রহমান কোনো পণ্যের অর্ডার করেননি বলে জানিয়ে দেন। এরপরও ওই ব্যক্তির একাধিকবার ফোন পেয়ে শহরের সাউদিয়া হোটেলের সামনে যান ছাইদার রহমান সাকিব। সেইসঙ্গে পার্সেলটি গ্রহণ করেন। কিন্তু পার্সেলের প্যাকেট খুলেই একটি চাইনিজ কুড়াল দেখে হতবিহবল হয়ে পড়েন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য ছাইদার রহমান সাকিব বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আসন্ন প্রার্থী তিনি। তাই নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য ভয়ভীতি দেখাতেই হয়ত এটি করা হয়ে থাকতে পারে।

এছাড়া ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাকে ফাঁসানোর টার্গেটও থাকতে পারে। যাতে করে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা সম্ভব হয়। আর এই কারণেই তার পুরো নাম ঠিকানা ও ব্যক্তিগত ফোন নম্বর সঠিকভাবেই পার্সেলের গায়ে লেখা রয়েছে। তবে যারাই এহেন কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত থাক না কেন খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ঘটনাটির রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। অচিরেই এই ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হবে। পাশাপাশি জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

নতুন প্রজন্মের অনলাইন টিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বগুড়ায় কুরিয়ারের পার্সেল খুলে চাইনিজ কুড়াল পেলো ইউপি সদস্য

আপডেট সময় : ০৮:১৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২১

বগুড়া প্রতিনিধি:বগুড়ার শেরপুরে শাহ-বন্দেগী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যের নামে পাঠানো কুরিয়ারে সার্ভিসের পার্সেল খুলেই মিলল চাইনিজ কুড়াল। ঘটনাটি নিয়ে উপজেলা এলাকায় চাঞ্চল্যতার সৃষ্টি হয়েছে।

২৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ‘রিডেক্স হোম ডেলিভারি সার্ভিস’ কুরিয়ারে পার্সেলটি উপজেলার সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) ছাইদার রহমান সাকিবের নামে এটি পাঠানো হয়। এদিকে বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার রাতে কুরিয়ারে পাঠানো ধারালো অস্ত্রটি থানায় জমা দিয়ে একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন ওই ইউপি সদস্য।

থানার ওই জিডি থেকে জানা যায়, ঢাকার গাজীপুর জেলার চল্লিশ নম্বর ওয়ার্ডের বড় বাজার (চামুদ্দা বাজার) থেকে ‘রিডেক্স হোম ডেলিভারি সার্ভিস’ কুরিয়ারে ওই পার্সেলটি ইউপি সদস্য ছাইদার রহমান সাকিবের ঠিকানায় বুকিং দেয়া হয়। ঠিকানায় ওই ইউপি সদস্যের মোবাইল নম্বরও দেয়া হয়।

সে অনুযায়ী আল আমিন নামের এক ব্যক্তি নিজেকে ওই কুরিয়ারের ডেলিভেরিম্যান পরিচয় দিয়ে তার মোবাইল থেকে ইউপি সদস্যের মোবাইলে ফোন দিয়ে শেরপুর বাসস্ট্যান্ডে আসতে বলেন পার্সেলটি নেয়ার জন্য।

এ সময় ইউপি সদস্য ছাইদার রহমান কোনো পণ্যের অর্ডার করেননি বলে জানিয়ে দেন। এরপরও ওই ব্যক্তির একাধিকবার ফোন পেয়ে শহরের সাউদিয়া হোটেলের সামনে যান ছাইদার রহমান সাকিব। সেইসঙ্গে পার্সেলটি গ্রহণ করেন। কিন্তু পার্সেলের প্যাকেট খুলেই একটি চাইনিজ কুড়াল দেখে হতবিহবল হয়ে পড়েন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য ছাইদার রহমান সাকিব বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আসন্ন প্রার্থী তিনি। তাই নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য ভয়ভীতি দেখাতেই হয়ত এটি করা হয়ে থাকতে পারে।

এছাড়া ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাকে ফাঁসানোর টার্গেটও থাকতে পারে। যাতে করে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা সম্ভব হয়। আর এই কারণেই তার পুরো নাম ঠিকানা ও ব্যক্তিগত ফোন নম্বর সঠিকভাবেই পার্সেলের গায়ে লেখা রয়েছে। তবে যারাই এহেন কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত থাক না কেন খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ঘটনাটির রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। অচিরেই এই ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হবে। পাশাপাশি জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।