ঢাকা ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণকারীদের প্রতি পারস্পরিক সহযোগিতার আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:২১:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 4

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় (ডিআইটিএফ) অংশগ্রহণকারী সব দেশ এবং প্রতিষ্ঠানকে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং অংশীদারিত্বের চেতনায় একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ২০২৬ (ডিআইটিএফ) উপলক্ষ্যে ৩১ ডিসেম্বর জারি করা এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

মেলাটি প্রথমে ১ জানুয়ারি শুরু হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর এই তারিখ পরিবর্তন করে ৩ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়।

প্রধান উপদেষ্টা তার বাণীতে বলেন, ‘এই মেলা একটি অনন্য উদ্যোগ, যা বিশ্ব মঞ্চে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা তুলে ধরবে।’

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “৩০তম ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ)-২০২৬’ উপলক্ষ্যে আমি মেলায় অংশগ্রহণকারী দেশি-বিদেশি শিল্প উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসাধারণকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনাকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে এটি একটি অনন্য আয়োজন।”

তিনি বলেন, দেশীয় পণ্যের প্রচার ও বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাসব্যাপী আয়োজিত এ মেলা দেশে উৎপাদিত গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য দেশি-বিদেশি দর্শক, ভোক্তা, ক্রেতা ও আমদানিকারকদের সামনে তুলে ধরতে খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করে আসছে। পাশাপাশি স্থানীয় উদ্যোক্তা ও ভোক্তারাও এ মেলার মাধ্যমে সহজেই বিদেশি পণ্যের মান, নকশা ও বৈশ্বিক প্রবণতা বিষয়ে সম্যক ধারণা পাচ্ছেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত ও কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্য অর্জনে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে। আমি আশা করি, এ মেলার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিদেশে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে। এ ছাড়া, দেশীয় পণ্যের প্রচার, পণ্য বহুমুখীকরণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার মাধ্যমে দেশের সার্বিক উন্নয়নেও এ মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, মেলায় অংশগ্রহণকারী সব দেশ ও প্রতিষ্ঠান পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করবে। সবার কার্যকর অংশগ্রহণে এ মেলা হয়ে উঠবে সুন্দর, ক্রেতাবান্ধব ও উৎসবমুখর।

প্রধান উপদেষ্টা ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ)-২০২৬’-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

নতুন প্রজন্মের অনলাইন টিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণকারীদের প্রতি পারস্পরিক সহযোগিতার আহ্বান

আপডেট সময় : ১২:২১:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় (ডিআইটিএফ) অংশগ্রহণকারী সব দেশ এবং প্রতিষ্ঠানকে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং অংশীদারিত্বের চেতনায় একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ২০২৬ (ডিআইটিএফ) উপলক্ষ্যে ৩১ ডিসেম্বর জারি করা এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

মেলাটি প্রথমে ১ জানুয়ারি শুরু হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর এই তারিখ পরিবর্তন করে ৩ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়।

প্রধান উপদেষ্টা তার বাণীতে বলেন, ‘এই মেলা একটি অনন্য উদ্যোগ, যা বিশ্ব মঞ্চে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা তুলে ধরবে।’

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “৩০তম ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ)-২০২৬’ উপলক্ষ্যে আমি মেলায় অংশগ্রহণকারী দেশি-বিদেশি শিল্প উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসাধারণকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনাকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে এটি একটি অনন্য আয়োজন।”

তিনি বলেন, দেশীয় পণ্যের প্রচার ও বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাসব্যাপী আয়োজিত এ মেলা দেশে উৎপাদিত গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য দেশি-বিদেশি দর্শক, ভোক্তা, ক্রেতা ও আমদানিকারকদের সামনে তুলে ধরতে খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করে আসছে। পাশাপাশি স্থানীয় উদ্যোক্তা ও ভোক্তারাও এ মেলার মাধ্যমে সহজেই বিদেশি পণ্যের মান, নকশা ও বৈশ্বিক প্রবণতা বিষয়ে সম্যক ধারণা পাচ্ছেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত ও কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্য অর্জনে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে। আমি আশা করি, এ মেলার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিদেশে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে। এ ছাড়া, দেশীয় পণ্যের প্রচার, পণ্য বহুমুখীকরণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার মাধ্যমে দেশের সার্বিক উন্নয়নেও এ মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, মেলায় অংশগ্রহণকারী সব দেশ ও প্রতিষ্ঠান পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করবে। সবার কার্যকর অংশগ্রহণে এ মেলা হয়ে উঠবে সুন্দর, ক্রেতাবান্ধব ও উৎসবমুখর।

প্রধান উপদেষ্টা ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ)-২০২৬’-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।