ঢাকা ১০:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আজ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২১তম জন্মজয়ন্তী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:২৮:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২০
  • / 54

নিজস্ব প্রতিবেদক:  আজ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২১তম জন্মজয়ন্তী। ১৮৯৯ সালের এ দিনে (২৫ মে) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বাংলা সাহিত্যে প্রেম, বিরহ, দ্রোহের বহু সৃষ্টি রেখে গেছেন এই বিদ্রোহী কবি।

প্রতিবছর রোজার ঈদের আগের দিন সন্ধ্যায় ঘরে-ঘরে মানুষের মুখে, টিভি পর্দায় বাজতে থাকে ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষের মনে দোলা দেয় জাতীয় কবির এ অসাধারণ সৃষ্টি। আজ পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন কাকতালীয়ভাবে তার জন্মজয়ন্তী।

প্রতিবছর নানা অনুষ্ঠান-আয়োজনে আড়ম্বর করে জাতীয় কবির জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হলেও এ বছর করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট উদ্ভুত পরিস্থিতিতে তা হচ্ছে না। তবে অনলাইনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তার জন্মোৎসব পালন করা হবে।

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ বেলা ১১টার সময় বিটিভিসহ দেশের বিভিন্ন বেসরকারি টিভি চ্যানেলে ‘জাগো অমৃত পিয়াসী’ শীর্ষক একটি বিশেষ প্রচারিত হবে বলে জানিয়েছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। আনুমানিক ৫০ মিনিটের এ অনুষ্ঠান নিমার্ণ করেছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। এছাড়া জাতীয় কবির জন্মবার্ষিকী উপলেক্ষ পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কাজী নজরুল ইসলাম ভারতে জন্মগ্রহণ করলেও ১৯৭২ সালে তাকে তৎকালীন সরকার জাতীয় কবির মর্যাদা দিয়ে বাংলাদেশে নিয়ে আছে। তার লেখায় যেমন বিদ্রোহ ছিল, শোষিত নির্যাতিত মানুষের মুক্তির বার্তা ছিল, তেমনি তার রচিত কবিতা, গল্প, গান, উপন্যাসে ফুটে উঠেছে প্রেম। নিপীড়ন, ফ্যাসিবাদ, সাম্রাজ্যবাদের পাশাপাশি সাম্প্রদায়িকতা, কুসংস্কার, ধর্মান্ধতা, কূপমণ্ডুকতার বিরুদ্ধে কলমের কালি ঝড়িয়েছেন তিনি। ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট ইহলোকের মায়া ত্যাগ করে চলে যান এ দ্রোহের কবি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন তিনি।

নতুন প্রজন্মের অনলাইন টিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আজ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২১তম জন্মজয়ন্তী

আপডেট সময় : ০৮:২৮:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক:  আজ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২১তম জন্মজয়ন্তী। ১৮৯৯ সালের এ দিনে (২৫ মে) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বাংলা সাহিত্যে প্রেম, বিরহ, দ্রোহের বহু সৃষ্টি রেখে গেছেন এই বিদ্রোহী কবি।

প্রতিবছর রোজার ঈদের আগের দিন সন্ধ্যায় ঘরে-ঘরে মানুষের মুখে, টিভি পর্দায় বাজতে থাকে ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষের মনে দোলা দেয় জাতীয় কবির এ অসাধারণ সৃষ্টি। আজ পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন কাকতালীয়ভাবে তার জন্মজয়ন্তী।

প্রতিবছর নানা অনুষ্ঠান-আয়োজনে আড়ম্বর করে জাতীয় কবির জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হলেও এ বছর করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট উদ্ভুত পরিস্থিতিতে তা হচ্ছে না। তবে অনলাইনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তার জন্মোৎসব পালন করা হবে।

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ বেলা ১১টার সময় বিটিভিসহ দেশের বিভিন্ন বেসরকারি টিভি চ্যানেলে ‘জাগো অমৃত পিয়াসী’ শীর্ষক একটি বিশেষ প্রচারিত হবে বলে জানিয়েছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। আনুমানিক ৫০ মিনিটের এ অনুষ্ঠান নিমার্ণ করেছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। এছাড়া জাতীয় কবির জন্মবার্ষিকী উপলেক্ষ পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কাজী নজরুল ইসলাম ভারতে জন্মগ্রহণ করলেও ১৯৭২ সালে তাকে তৎকালীন সরকার জাতীয় কবির মর্যাদা দিয়ে বাংলাদেশে নিয়ে আছে। তার লেখায় যেমন বিদ্রোহ ছিল, শোষিত নির্যাতিত মানুষের মুক্তির বার্তা ছিল, তেমনি তার রচিত কবিতা, গল্প, গান, উপন্যাসে ফুটে উঠেছে প্রেম। নিপীড়ন, ফ্যাসিবাদ, সাম্রাজ্যবাদের পাশাপাশি সাম্প্রদায়িকতা, কুসংস্কার, ধর্মান্ধতা, কূপমণ্ডুকতার বিরুদ্ধে কলমের কালি ঝড়িয়েছেন তিনি। ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট ইহলোকের মায়া ত্যাগ করে চলে যান এ দ্রোহের কবি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন তিনি।