ঢাকা ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আবু সাঈদ হত্যা : তৃতীয় দিনের মতো চলছে তদন্ত কর্মকর্তার জেরা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:১৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 5

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তৃতীয় দিনের মতো তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিনের জেরা চলছে। এ মামলায় মোট আসামি ৩০ জন।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বেলা ১১টার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ জেরা শুরু হয়। প্যানেলের অন্য সদস্য জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তদন্ত কর্মকর্তাকে আজ জেরা করছেন পলাতক আসামিদের পক্ষে সরকারি খরচে নিয়োগ পাওয়া (স্টেট ডিফেন্স) আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো। জেরায় রুহুল আমিনকে নানান প্রশ্ন করছেন তিনি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তার উদ্দেশ্যে টিটো বলেন, এসআই মো. তরিকুল ইসলাম ও সহকারী পুলিশ সুপার মো. আল ইমরান হোসেনকে এ মামলা সংক্রান্ত ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে উপস্থাপন করেছেন। জবাবে সত্য নয় বলে জানান রুহুল আমিন। এ প্রশ্নটি প্রসিকিউশনের আপত্তিসহ লিপিবদ্ধ করা হয়।

তাজহাট থানায় আবু সাঈদ হত্যা সংক্রান্তে রুজুকৃত মামলা পর্যালোচনা করেছেন কিনা জানতে চাইলে হ্যাঁ সম্বোধন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। ফরমাল চার্জ দাখিলের পরও তদন্ত চলমান রেখেছেন; স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীর এমন অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্নে আপত্তি জানান প্রসিকিউশন। পরে এ প্রশ্ন আর নেওয়া হয়নি।

এর আগে, বুধবার (৭ জানুয়ারি) তদন্ত কর্মকর্তার দ্বিতীয় দিনের জেরা সম্পন্ন হয়। ৬ জানুয়ারি তার অবশিষ্ট সাক্ষ্যগ্রহণের পর জেরা শুরু করেন আজিজুর রহমান দুলু। তিনি কনস্টেবল সুজন ও এএসআই আমির হোসেনের পক্ষের আইনজীবী।

এদিকে, আজ সকালে কারাগার থেকে ছয় আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তারা হলেন- এএসআই আমির হোসেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ।

ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ২৪ জন এখনও পলাতক রয়েছেন। তাদের হয়ে আইনি লড়াই করছেন সরকারি খরচে নিয়োগ পাওয়া চার আইনজীবী।

গত বছরের ২৭ আগস্ট সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ফর্মাল চার্জ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল-২। পলাতক আসামিদের পক্ষে ২২ জুলাই স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। অভিযোগ আমলে নেওয়া হয় ৩০ জুন। এর ছয়দিন আগে তথা ২৪ জুন চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত সংস্থা।

নতুন প্রজন্মের অনলাইন টিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আবু সাঈদ হত্যা : তৃতীয় দিনের মতো চলছে তদন্ত কর্মকর্তার জেরা

আপডেট সময় : ১২:১৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তৃতীয় দিনের মতো তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিনের জেরা চলছে। এ মামলায় মোট আসামি ৩০ জন।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বেলা ১১টার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ জেরা শুরু হয়। প্যানেলের অন্য সদস্য জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তদন্ত কর্মকর্তাকে আজ জেরা করছেন পলাতক আসামিদের পক্ষে সরকারি খরচে নিয়োগ পাওয়া (স্টেট ডিফেন্স) আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো। জেরায় রুহুল আমিনকে নানান প্রশ্ন করছেন তিনি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তার উদ্দেশ্যে টিটো বলেন, এসআই মো. তরিকুল ইসলাম ও সহকারী পুলিশ সুপার মো. আল ইমরান হোসেনকে এ মামলা সংক্রান্ত ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে উপস্থাপন করেছেন। জবাবে সত্য নয় বলে জানান রুহুল আমিন। এ প্রশ্নটি প্রসিকিউশনের আপত্তিসহ লিপিবদ্ধ করা হয়।

তাজহাট থানায় আবু সাঈদ হত্যা সংক্রান্তে রুজুকৃত মামলা পর্যালোচনা করেছেন কিনা জানতে চাইলে হ্যাঁ সম্বোধন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। ফরমাল চার্জ দাখিলের পরও তদন্ত চলমান রেখেছেন; স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীর এমন অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্নে আপত্তি জানান প্রসিকিউশন। পরে এ প্রশ্ন আর নেওয়া হয়নি।

এর আগে, বুধবার (৭ জানুয়ারি) তদন্ত কর্মকর্তার দ্বিতীয় দিনের জেরা সম্পন্ন হয়। ৬ জানুয়ারি তার অবশিষ্ট সাক্ষ্যগ্রহণের পর জেরা শুরু করেন আজিজুর রহমান দুলু। তিনি কনস্টেবল সুজন ও এএসআই আমির হোসেনের পক্ষের আইনজীবী।

এদিকে, আজ সকালে কারাগার থেকে ছয় আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তারা হলেন- এএসআই আমির হোসেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ।

ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ২৪ জন এখনও পলাতক রয়েছেন। তাদের হয়ে আইনি লড়াই করছেন সরকারি খরচে নিয়োগ পাওয়া চার আইনজীবী।

গত বছরের ২৭ আগস্ট সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ফর্মাল চার্জ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল-২। পলাতক আসামিদের পক্ষে ২২ জুলাই স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। অভিযোগ আমলে নেওয়া হয় ৩০ জুন। এর ছয়দিন আগে তথা ২৪ জুন চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত সংস্থা।