মাদুরোকে আটক করে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন আগ্রাসন, রাশিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা
- আপডেট সময় : ০৯:০৩:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
- / 12
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর দেশটির গুরুত্বপূর্ণ তেল সম্পদের ওপর একচ্ছত্র কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (৭ জানুয়ারি) এবিসি নিউজের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয় যে, ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে চীন, রাশিয়া, ইরান এবং কিউবার সঙ্গে সকল অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন।
তবে এই পরিস্থিতির মধ্যে আটলান্টিক মহাসাগরে একটি রুশ পতাকাবাহী তেলবাহী জাহাজ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে রয়েছে। মার্কিন বাহিনীর আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য রাশিয়া শক্তিশালী নৌজাহাজ সেখানে পাঠিয়েছে, যা গত সোমবার রাত থেকে স্কটল্যান্ড ও আইসল্যান্ডের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থান করছে। এই জাহাজটি এখন একটি নতুন আন্তর্জাতিক উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।
গত মাস থেকে ভেনেজুয়েলা সরকারকে চাপ দিতে ‘নৌ অবরোধ’ জারি করার সিদ্ধান্ত নেন ট্রাম্প। এই সময়ে, মার্কিন কোস্ট গার্ড এক রুশ পতাকাবাহী জাহাজের ওপর তল্লাশির চেষ্টা করে, কিন্তু সফল হয়নি। পরে সেই জাহাজটির নাম বদলে ‘মারিনেরা’ রাখা হয় এবং এটি রাশিয়ার পতাকায় নিবন্ধিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই জাহাজটি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে ইরানি তেল পরিবহন করছিল।
এদিকে, গত মঙ্গলবার ইউরোপের দিকে জাহাজটির চলার পথে, মার্কিন সামরিক বাহিনী ওই এলাকায় টহল দেওয়ার সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা এই পরিস্থিতি খুবই গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনে নিজেদের সম্পদের রক্ষা করতে যেকোনো ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত।
গত মাসে, ‘দ্য স্কিপার’ নামের একটি ট্যাংকার আটক করার মাধ্যমে ট্রাম্প আন্তর্জাতিক জলসীমায় মার্কিন বাহিনীর শক্তির প্রমাণ দিয়েছিলেন। তবে এবার প্রতিপক্ষ হিসেবে রাশিয়া থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা ও আন্তর্জাতিক জলসীমায় মার্কিন হস্তক্ষেপ নতুন এক ‘শীতল যুদ্ধ’ শুরু হতে পারে এমন শঙ্কা সৃষ্টি করছে।























