ঢাকা ১১:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুন্সিগঞ্জের নাটেশ্বরে দুষ্প্রাপ্য প্রত্ন নিদর্শন আবিস্কার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:০৫:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ মার্চ ২০২১
  • / 56

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মুন্সিগঞ্জের নাটেশ্বর দেউলে প্রত্নতাত্ত্বিক খননে দুষ্প্রাপ্য ও তাৎপর্যপূর্ণ প্রত্নবস্তু আবিস্কৃত হয়েছে। ৫ মাসব্যাপী ১০ একর ঢিবিতে উৎখনন কাজে ৮শ থেকে ১২বছরের প্রাচীন বিভিন্ন প্রত্ননিদর্শন মিলেছে বলে জানিয়েছে খননকারী প্রত্নতাত্ত্বিক গভেশনা কেন্দ্র “ঐতিহ্য অন্বেষণ”।  বুধবার দিনব্যাপি এসব প্রত্নখনন কার্যক্রম ও রঘুরামপুর বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

খনন কার্যক্রমের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২০-২১অর্থবছরে ৫মাস ব্যাপি প্রত্নখননে ৮শ থেকে ১২শ বছরের প্রাচীন ২টি অষ্টকোণাকৃতির স্তূপ পাওয়া গেছে। যাকে কেন্দ্রে বিশেষ ধরণের স্তাপত্য ‘স্মারক কুঠুরি’ একটি দুষ্প্রাপ্য ও তাৎপর্যপূর্ণ আবিষ্কার। যেখানে গৌতম বুদ্ধ বা তাঁর গুরুত্বপূর্ণ শিষ্যের দেহ ভষ্ম ও ব্যবহৃত জিনিস রাখা হতো। এর উপরের অংশ গোলাকার ও নিচের অংশ চতুষ্কোণাকৃতি।  এছাড়া বৌদ্ধ স্তুূপের পাশে একটি সুরক্ষা দেয়াল আবিস্কৃত হয়ছে। এসব স্তুপে বৌদ্ধ ধর্মের দশর্নকে ফুটিয়ে তোলা নিদর্শন পাওয়া গেছে। বাংলাদেশে এ আবিষ্কার প্রথম।

প্রত্নখনন কার্যক্রম পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক মনিরুজ্জামান তালুকদার, পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন, ঐতিহ্য অন্বেষণ বিক্রমপুর অঞ্চলে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ও গবেষণা কর্মসূচি ‘কর্মসূচি পরিচালক’ ড. নূহ-উল-আলম লেনিন, গবেষণা পরিচালক ড. সুফি মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ। পরে মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার অপরেক আরেক প্রত্ন নিদর্শন রঘুরামপুরে বিক্রমপুরী বৌদ্ধবিহার প্রত্নস্থান জাদুঘর উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, এ আবিস্কারের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের অতীত ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারি, আমাদের নতুন প্রজন্ম অতীত ইতিহাস জানতে পারবে। ভবিষ্যৎয়ে তারা ইতিহাসের সাথে মিলিয়ে জীবন যাপন করবে, দেশকে গরবে।

নতুন প্রজন্মের অনলাইন টিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মুন্সিগঞ্জের নাটেশ্বরে দুষ্প্রাপ্য প্রত্ন নিদর্শন আবিস্কার

আপডেট সময় : ০৮:০৫:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ মার্চ ২০২১

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মুন্সিগঞ্জের নাটেশ্বর দেউলে প্রত্নতাত্ত্বিক খননে দুষ্প্রাপ্য ও তাৎপর্যপূর্ণ প্রত্নবস্তু আবিস্কৃত হয়েছে। ৫ মাসব্যাপী ১০ একর ঢিবিতে উৎখনন কাজে ৮শ থেকে ১২বছরের প্রাচীন বিভিন্ন প্রত্ননিদর্শন মিলেছে বলে জানিয়েছে খননকারী প্রত্নতাত্ত্বিক গভেশনা কেন্দ্র “ঐতিহ্য অন্বেষণ”।  বুধবার দিনব্যাপি এসব প্রত্নখনন কার্যক্রম ও রঘুরামপুর বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

খনন কার্যক্রমের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২০-২১অর্থবছরে ৫মাস ব্যাপি প্রত্নখননে ৮শ থেকে ১২শ বছরের প্রাচীন ২টি অষ্টকোণাকৃতির স্তূপ পাওয়া গেছে। যাকে কেন্দ্রে বিশেষ ধরণের স্তাপত্য ‘স্মারক কুঠুরি’ একটি দুষ্প্রাপ্য ও তাৎপর্যপূর্ণ আবিষ্কার। যেখানে গৌতম বুদ্ধ বা তাঁর গুরুত্বপূর্ণ শিষ্যের দেহ ভষ্ম ও ব্যবহৃত জিনিস রাখা হতো। এর উপরের অংশ গোলাকার ও নিচের অংশ চতুষ্কোণাকৃতি।  এছাড়া বৌদ্ধ স্তুূপের পাশে একটি সুরক্ষা দেয়াল আবিস্কৃত হয়ছে। এসব স্তুপে বৌদ্ধ ধর্মের দশর্নকে ফুটিয়ে তোলা নিদর্শন পাওয়া গেছে। বাংলাদেশে এ আবিষ্কার প্রথম।

প্রত্নখনন কার্যক্রম পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক মনিরুজ্জামান তালুকদার, পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন, ঐতিহ্য অন্বেষণ বিক্রমপুর অঞ্চলে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ও গবেষণা কর্মসূচি ‘কর্মসূচি পরিচালক’ ড. নূহ-উল-আলম লেনিন, গবেষণা পরিচালক ড. সুফি মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ। পরে মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার অপরেক আরেক প্রত্ন নিদর্শন রঘুরামপুরে বিক্রমপুরী বৌদ্ধবিহার প্রত্নস্থান জাদুঘর উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, এ আবিস্কারের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের অতীত ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারি, আমাদের নতুন প্রজন্ম অতীত ইতিহাস জানতে পারবে। ভবিষ্যৎয়ে তারা ইতিহাসের সাথে মিলিয়ে জীবন যাপন করবে, দেশকে গরবে।