চোর আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ২০
- আপডেট সময় : ১২:০৬:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
- / 8
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় চোর আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ ২০ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত ওহাব গাজী (৬০), জালাল গাজী (৪৫), খলিল গাজী (৪৮), আরিফুল গাজী (৩০), জলিল গাজী (৪৬), ছনিয়া খানম (১৯), মাজেদা বেগম (৪৫), হান্নান বরকতউল্লাহ (৫৫), মুকুল মুন্সী (৪৮), অলি বরকতউল্লাহ (৩৫), তাওসীন বরকতউল্লাহ, হানিফ শেখ (৪৫), হাবিব মুন্সী (৪২), জাহিদুল বরকতউল্লাহকে (৩৮) উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা গেছে, ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া গ্রামের মাদক বিরোধী কমিটির সদস্যরা ব্যাটারি চুরির অভিযোগে তিনজনকে বেপারীপাড়া গ্রামের মাদক বিরোধী কমিটির কার্যালয়ে আটকে রাখে। আটকরা হলেন- উপজেলার কাঠিগা গ্রামের মোরসালিন মিয়া, চিতশী গ্রামের রাসেল দাড়িয়া ও ঘাঘরকান্দা গ্রামের আব্দুল্লাহ দাড়িয়া।
এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কাঠিগা ও চিতশী গ্রামের লোকজন এসে মাদক বিরোধী কমিটির কার্যালয় ভাঙচুর করে আটকদের ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া গ্রামের মাদক বিরোধী কমিটির সাধারণ সম্পাদক জসিম মোল্লা বলেন, আমাদের বেপারীপাড়া গ্রামের এক ব্যক্তির গাড়ি থেকে মোরসালিন, রাসেল ও আব্দুল্লাহ এই তিনজন মিলে ব্যাটারি চুরি করে বিক্রি করে দেয়। এ খবর জানার পরে আমরা তিনজনকে আটক করে আমাদের কার্যালয়ে রেখে পুলিশকে খবর দেই। পরবর্তীতে কাঠিগা-চিতশীর লোকজন এসে আমাদের ওপর হামলা ও মারধর করে কার্যালয় এবং ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে ওই তিনজনকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
কাঠিগা-চিতশী গ্রামের ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা কাউকে মারধর করিনি। আমাদের লোকজনকে তারা মারধর করে আহত করেছে।
কোটালীপাড়া থানার ওসি মো. রিয়াদ মাহমুদ বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ অভিযোগ দায়ের করেনি। এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।












