সাইবার নিরাপত্তা আইন পাশের আগে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাইবার নিরাপত্তা আইন পাশের আগে সংসদীয় কমিটিতে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। সোমবার ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

আইনমন্ত্রী বলেন, আইসিটি বিভাগ যে ১০ দিন সময় দিয়েছে সেই সময়ের মধ্যে অবজেকশনগুলো (আপত্তি) একসঙ্গে জড়ো করে আমরা সবকিছুই স্ট্যান্ডিং কমিটির কাছে উপস্থাপন করব। যারা এখানে তাদের বক্তব্য জানাতে চাচ্ছেন, তাদেরকে স্ট্যান্ডিং কমিটির সামনে গতবারের মতো বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ করে দিব।

তিনি বলেন, ৩ সেপ্টেম্বর সংসদ ডাকা হয়েছে। এটি যাতে এবার সংসদে যেতে পারে সে জন্যই মন্ত্রিপরিষদ থেকে গতকালকে চূড়ান্ত অনুমোদন নেওয়া হয়েছে। স্ট্যান্ডিং কমিটিতে (সংসদীয় কমিটি) অবশ্যই অংশীজনদেরকে ডেকে আলাপ-আলোচনা করা হবে।

তিনি বলেন, আমাদের সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদে পরিষ্কারভাবে লেখা আছে, অপরাধ করার সময় যে আইন বলবৎ ছিল, সে আইনেই বিচারকার্য হবে এবং সেই আইনে যে সাজা ছিল, সেই সাজাই দিতে হবে। ৩৫ অনুচ্ছেদে আরো রয়েছে, যদি নতুন আইনে সাজা অধিক হয়, তাহলে পুরনো আইনে সাজা দেয়া যাবে না।

আইনমন্ত্রী বলেন, আদালতের মর্যাদা যেন কেউ হানি না করেন। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে আদালত থাকবে। আমরা আইনজীবীরা সকলে অফিসার অব দ্য কোর্ট।

তিনি আরও বলেন, আমি তাদের (আইনজীবীদের) কাছে আহ্বান জানাবো- রাজনীতির কারণে আদালতকে কলুষিত করা ঠিক হবে না। কারণ, তাদের ধৈর্য ধারণ করা উচিত।

ড. ইউনূসের মামলা প্রসঙ্গে আনিসুল হক বলেন, ড. ইউনূসের মামলার ব্যাপারে কোনো বক্তব্য দিতে চাই না। তার কারণ এই মামলাটিও সাব-জুডিস। এ মামলার বিষয়ে যতদূর আমি জানি যে লেবার কোর্টে ট্রায়াল হচ্ছে। তিনি যে বিচারিক আদালতে যখন জামিন চেয়েছেন তখন জামিন পেয়েছেন। এ মামলার জায়গায় এর থেকে বেশি কিছু বলতে পারবো না।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Title