ঢাকা ০১:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রেলের ইঞ্জিন সংকটে রংপুরের পাঁচ জেলায় জ্বালানির তীব্র সংকট

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:২৩:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 6

রেলের ইঞ্জিন সংকটের কারণে বৃহত্তর রংপুরের পাঁচ জেলায় জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে আগে রংপুরের রেল স্টেশনের পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ওয়েল কোম্পানির ডিপোগুলোতে রেলের র‌্যাক মাধ্যমে চট্টগ্রাম থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৯টি র‌্যাকে (প্রতি র‌্যাকে ২টি ওয়াগান) তেল আসত। তা এখন নেমে প্রায় শূন্যে দাঁড়িয়েছে। মেঘনায় সামান্য কিছু তেলের মজুত থাকলেও পদ্মা ও যমুনা রংপুর রেল ডিপোতে এক সপ্তাহ ধরে কোনো তেল সরবরাহ করা হয়নি।

বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলের পাঁচ জেলা রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার ফিলিং স্টেশনগুলোতে রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল বিপণনকারী মেঘনা, যমুনা ও পদ্মা ওয়েল কোম্পানি থেকে তেল সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা রংপুর রেল ডিপোর এক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, রেলের মিটারগেজ লাইনের ইঞ্জিন সংকটের কারণে চট্টগ্রাম থেকে জ্বালানি তেল রংপুরের ডিপোগুলোতে সরবরাহ করা যাচ্ছে না। চট্টগ্রাম থেকে মিটারগেজ রেল পথে পণ্য পরিবহণের জন্য রেলের ইঞ্জিন পাওয়া যাচ্ছে না।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের সূত্র জানায়, রংপুরের পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা এই তিন ডিপোতে মাসে অন্তত আড়াই কোটি লিটার জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে। সেখানে গত বছরের আগস্ট মাসে চট্টগ্রাম থেকে তেল সরবরাহ করা হয়েছে মাত্র ২১ লাখ লিটার। যা চাহিদার সিকি ভাগেরও কম। ফলে বাধ্য হয়ে কোনো কোনো ফিলিং স্টেশন মালিক বাঘাবাড়ী এবং পার্বতীপুর থেকে তেল এনে চাহিদা পূরণ করছেন।

যমুনার রংপুর রেল ডিপোর ইনচার্জ শরিফুল ইসলাম বলেন, রেলের ইঞ্জিন সংকট। তাই তেল রংপুরের ডিপোগুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে না। পার্বতীপুর রেল ডিপোতে খুলনা থেকে ব্রডগেজ রেল পথে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। এই রেল পথ মাত্র ৫০ কিলোমিটার সম্প্রসারণ করলে সরাসরি খুলনা থেকে রংপুরের তেল ডিপোগুলোতে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হলে রংপুরের জেলাগুলোয় যে জ্বালানি তেল নিয়ে তেলেসমাতি হচ্ছে তা হতো না।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস ডিস্ট্রিবিউশনারস এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন রংপুর জেলা শাখার সভাপতি আজিজুর ইসলাম মিন্টু বলেন, চট্টগ্রাম থেকে রেল পথে তেল আসা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে রংপুর অঞ্চলের পাঁচ জেলায় তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক পাম্প মালিক পরিবহণ ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তেল আনা বন্ধ করেছেন।

রেলের একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, ইঞ্জিন সংকটের কারণে রেলের অনেক পথে যোগাযোগ কমে গেছে। মিটারগেজ ও ব্রডগেজ ইঞ্জিনের মোট সংখ্যা ২৯৭টি। এর মধ্যে অর্ধেক ইঞ্জিনের আয়ুষ্কাল শেষ হয়ে গেছে। ফলে রেলের ইঞ্জিন সংকটের কারণে চাহিদা থাকার পরও মালামাল পরিবহণে রেল চলাচল সীমিত করা হয়েছে। রেশনিং পদ্ধতিতে পণ্য পরিবহণের জন্য রেলের র‌্যাক বা ওয়াগন মাধ্যমে পণ্য পরিবহণ করা হচ্ছে।

রংপুরের আজাদ ফিলিং স্টেশনের মালিক মঞ্জুর আজাদ বলেন, ইঞ্জিন সংকটের কারণে রেলের র‌্যাক দিয়ে রংপুরের তেলের ডিপোগুলোতে তেল সরবরাহ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। তাই তেলের জন্য হাহাকার শুরু হয়েছে। এখন পার্বতীপুর রেলের ডিপো থেকে ও বাঘাবাড়ী থেকে তেল পরিবহণে খরচ বেশি হওয়ায় অনেকে তেল আনতে আগ্রহী নয়।

রংপুর বিভাগীয় দাহ্য পদার্থ বহনকারী ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আলাউল মিয়া লালু বলেন, রংপুরে জ্বালানি তেল সরবরাহ না হওয়ায় প্রায় ৬শ শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তারা মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, কোথাও পাম্প বন্ধ, কোথাও সীমিত পরিসরে বিক্রি, আবার কোথাও দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল পাচ্ছেন না ভোক্তারা। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে তেল সংকট নিয়ে আতঙ্ক আরও বেড়ে যাচ্ছে।

রংপুর বিভাগ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় ৩৮০টি পেট্রোল পাম্প রয়েছে। এর মধ্যে রংপুরে রয়েছে ৮৩টি, কুড়িগ্রামে ২২টি, গাইবান্ধায় ২৬টি, লালমনিরহাটে ২৭টি, নীলফামারীতে ৩৮টি, ঠাকুরগাঁওয়ে ৩৫, পঞ্চগড়ে ২৯ এবং দিনাজপুরে ১২০টি। তিনি জানান, যেসব পাম্প গত বছর যে পরিমাণ জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে, এবারও সেই চাহিদা অনুযায়ী নিয়মিত জ্বালানি পাচ্ছে, সেগুলো প্রতিদিনই সীমিত আকারে গ্রাহকদের সরবরাহ দিচ্ছে। তবে যেসব পাম্পে বরাদ্দ কম বা সরবরাহ অনিয়মিত, যে বরাদ্দ পাচ্ছে সেগুলো চাহিদা থাকায় দ্রুত বিক্রি শেষ হয়ে যাচ্ছে। পরবর্তী বরাদ্দ না পাওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে।

রংপুর জেলা প্রশাসন বলছে, গত এক সপ্তাহ পর্যন্ত রংপুর জেলায় পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা কোম্পানি মিলে ডিজেল মজুত ছিল ১০ লাখ ৭ হাজার ৭৫৪ লিটার, পেট্রোল মজুত আছে ১৭ লাখ ৬ হাজার ৫০০ লিটার ও অকটেন মজুত ছিল ৪২ হাজার লিটার। সরেজমিন তথ্যে জানা গেছে, সামান্য মজুত তেল রয়েছে মেঘনায়। পদ্মা ও যমুনা এখন তেলশূন্য। গত এক মাসে এই দুটি ডিপোতে এক ফোঁটা তেল সরবরাহ করা হয়নি।

রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানিয়েছেন, আমরা এই সংকট কাটিয়ে উঠতে চেষ্টা করছি। রোববার আমরা পাম্প মালিকদের সঙ্গে বসব। একই সঙ্গে অ্যাপভিত্তিক জ্বালানি দেওয়ার প্রক্রিয়ায় আছি। এতে একজন এক জেলায় তেল নিলে ওই দিন ওই জেলায় আর নিতে পারবে না। এতে কিছুটা সংকট কমে আসবে, আশা করি।

নতুন প্রজন্মের অনলাইন টিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রেলের ইঞ্জিন সংকটে রংপুরের পাঁচ জেলায় জ্বালানির তীব্র সংকট

আপডেট সময় : ১২:২৩:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

রেলের ইঞ্জিন সংকটের কারণে বৃহত্তর রংপুরের পাঁচ জেলায় জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে আগে রংপুরের রেল স্টেশনের পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ওয়েল কোম্পানির ডিপোগুলোতে রেলের র‌্যাক মাধ্যমে চট্টগ্রাম থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৯টি র‌্যাকে (প্রতি র‌্যাকে ২টি ওয়াগান) তেল আসত। তা এখন নেমে প্রায় শূন্যে দাঁড়িয়েছে। মেঘনায় সামান্য কিছু তেলের মজুত থাকলেও পদ্মা ও যমুনা রংপুর রেল ডিপোতে এক সপ্তাহ ধরে কোনো তেল সরবরাহ করা হয়নি।

বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলের পাঁচ জেলা রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার ফিলিং স্টেশনগুলোতে রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল বিপণনকারী মেঘনা, যমুনা ও পদ্মা ওয়েল কোম্পানি থেকে তেল সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা রংপুর রেল ডিপোর এক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, রেলের মিটারগেজ লাইনের ইঞ্জিন সংকটের কারণে চট্টগ্রাম থেকে জ্বালানি তেল রংপুরের ডিপোগুলোতে সরবরাহ করা যাচ্ছে না। চট্টগ্রাম থেকে মিটারগেজ রেল পথে পণ্য পরিবহণের জন্য রেলের ইঞ্জিন পাওয়া যাচ্ছে না।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের সূত্র জানায়, রংপুরের পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা এই তিন ডিপোতে মাসে অন্তত আড়াই কোটি লিটার জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে। সেখানে গত বছরের আগস্ট মাসে চট্টগ্রাম থেকে তেল সরবরাহ করা হয়েছে মাত্র ২১ লাখ লিটার। যা চাহিদার সিকি ভাগেরও কম। ফলে বাধ্য হয়ে কোনো কোনো ফিলিং স্টেশন মালিক বাঘাবাড়ী এবং পার্বতীপুর থেকে তেল এনে চাহিদা পূরণ করছেন।

যমুনার রংপুর রেল ডিপোর ইনচার্জ শরিফুল ইসলাম বলেন, রেলের ইঞ্জিন সংকট। তাই তেল রংপুরের ডিপোগুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে না। পার্বতীপুর রেল ডিপোতে খুলনা থেকে ব্রডগেজ রেল পথে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। এই রেল পথ মাত্র ৫০ কিলোমিটার সম্প্রসারণ করলে সরাসরি খুলনা থেকে রংপুরের তেল ডিপোগুলোতে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হলে রংপুরের জেলাগুলোয় যে জ্বালানি তেল নিয়ে তেলেসমাতি হচ্ছে তা হতো না।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস ডিস্ট্রিবিউশনারস এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন রংপুর জেলা শাখার সভাপতি আজিজুর ইসলাম মিন্টু বলেন, চট্টগ্রাম থেকে রেল পথে তেল আসা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে রংপুর অঞ্চলের পাঁচ জেলায় তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক পাম্প মালিক পরিবহণ ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তেল আনা বন্ধ করেছেন।

রেলের একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, ইঞ্জিন সংকটের কারণে রেলের অনেক পথে যোগাযোগ কমে গেছে। মিটারগেজ ও ব্রডগেজ ইঞ্জিনের মোট সংখ্যা ২৯৭টি। এর মধ্যে অর্ধেক ইঞ্জিনের আয়ুষ্কাল শেষ হয়ে গেছে। ফলে রেলের ইঞ্জিন সংকটের কারণে চাহিদা থাকার পরও মালামাল পরিবহণে রেল চলাচল সীমিত করা হয়েছে। রেশনিং পদ্ধতিতে পণ্য পরিবহণের জন্য রেলের র‌্যাক বা ওয়াগন মাধ্যমে পণ্য পরিবহণ করা হচ্ছে।

রংপুরের আজাদ ফিলিং স্টেশনের মালিক মঞ্জুর আজাদ বলেন, ইঞ্জিন সংকটের কারণে রেলের র‌্যাক দিয়ে রংপুরের তেলের ডিপোগুলোতে তেল সরবরাহ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। তাই তেলের জন্য হাহাকার শুরু হয়েছে। এখন পার্বতীপুর রেলের ডিপো থেকে ও বাঘাবাড়ী থেকে তেল পরিবহণে খরচ বেশি হওয়ায় অনেকে তেল আনতে আগ্রহী নয়।

রংপুর বিভাগীয় দাহ্য পদার্থ বহনকারী ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আলাউল মিয়া লালু বলেন, রংপুরে জ্বালানি তেল সরবরাহ না হওয়ায় প্রায় ৬শ শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তারা মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, কোথাও পাম্প বন্ধ, কোথাও সীমিত পরিসরে বিক্রি, আবার কোথাও দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল পাচ্ছেন না ভোক্তারা। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে তেল সংকট নিয়ে আতঙ্ক আরও বেড়ে যাচ্ছে।

রংপুর বিভাগ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় ৩৮০টি পেট্রোল পাম্প রয়েছে। এর মধ্যে রংপুরে রয়েছে ৮৩টি, কুড়িগ্রামে ২২টি, গাইবান্ধায় ২৬টি, লালমনিরহাটে ২৭টি, নীলফামারীতে ৩৮টি, ঠাকুরগাঁওয়ে ৩৫, পঞ্চগড়ে ২৯ এবং দিনাজপুরে ১২০টি। তিনি জানান, যেসব পাম্প গত বছর যে পরিমাণ জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে, এবারও সেই চাহিদা অনুযায়ী নিয়মিত জ্বালানি পাচ্ছে, সেগুলো প্রতিদিনই সীমিত আকারে গ্রাহকদের সরবরাহ দিচ্ছে। তবে যেসব পাম্পে বরাদ্দ কম বা সরবরাহ অনিয়মিত, যে বরাদ্দ পাচ্ছে সেগুলো চাহিদা থাকায় দ্রুত বিক্রি শেষ হয়ে যাচ্ছে। পরবর্তী বরাদ্দ না পাওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে।

রংপুর জেলা প্রশাসন বলছে, গত এক সপ্তাহ পর্যন্ত রংপুর জেলায় পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা কোম্পানি মিলে ডিজেল মজুত ছিল ১০ লাখ ৭ হাজার ৭৫৪ লিটার, পেট্রোল মজুত আছে ১৭ লাখ ৬ হাজার ৫০০ লিটার ও অকটেন মজুত ছিল ৪২ হাজার লিটার। সরেজমিন তথ্যে জানা গেছে, সামান্য মজুত তেল রয়েছে মেঘনায়। পদ্মা ও যমুনা এখন তেলশূন্য। গত এক মাসে এই দুটি ডিপোতে এক ফোঁটা তেল সরবরাহ করা হয়নি।

রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানিয়েছেন, আমরা এই সংকট কাটিয়ে উঠতে চেষ্টা করছি। রোববার আমরা পাম্প মালিকদের সঙ্গে বসব। একই সঙ্গে অ্যাপভিত্তিক জ্বালানি দেওয়ার প্রক্রিয়ায় আছি। এতে একজন এক জেলায় তেল নিলে ওই দিন ওই জেলায় আর নিতে পারবে না। এতে কিছুটা সংকট কমে আসবে, আশা করি।