news desk
৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ৬:১৭ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

সারা দেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক: সারা দেশে শুরু হয়েছে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক আজ রবিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

সারা দেশের এক হাজার ১৫টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে এই কর্মসূচি।

গতকাল শনিবার বা আজ যাঁদের মোবাইল ফোন নম্বরে টিকা নেওয়ার এসএমএস গেছে বা যাবে, তাঁরাই শুধু আজ টিকা নিতে পারছেন। মূলত স্বাস্থ্যকর্মীরাই বেশি টিকা নিচ্ছেন। সেই সঙ্গে কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তি, তালিকাভুক্ত মনোনীত সম্মুখ সারির ব্যক্তি ও ৫৫ বছরের বেশি বয়সের কিছুসংখ্যক ব্যক্তি টিকা পাচ্ছেন।

জানা গেছে, গতকাল পর্যন্ত সারা দেশে প্রায় চার লাখ মানুষ টিকা দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতি মাসে ৩৫ লাখ ডোজ টিকা দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সভাকক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম জানান, টিকা দেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। কোথাও কোথাও যতটুকু ঘাটতি আছে, তাও প্রস্তুত হয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ঢাকা ছাড়াও বিভিন্ন জেলা ও উপেজলায় কয়েকজন মন্ত্রী-সংসদ সদস্যসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা টিকা নেবেন এবং টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন।

গত ২০ জানুয়ারি দেশে প্রথম ২০ লাখ ডোজ টিকা আসে, যা ভারত সরকার বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে পাঠিয়েছে। পরে ২৫ জানুয়ারি সরকারের কেনা টিকা থেকে প্রথম চালানের ৫০ লাখ ডোজ টিকা আসে। সরকারের হাতে আছে প্রায় ৭০ লাখ টিকা। কোভিশিল্ড নামের এই টিকা অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনেকা যৌথভাবে উদ্ভাবন করেছে। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট এই টিকা উৎপাদন করছে। তাদের কাছ থেকে বাংলাদেশ সরকার তিন কোটি ডোজ টিকা কেনার চুক্তি করেছে। দেশে প্রথম টিকা দেওয়া হয় ২৭ জানুয়ারি, উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনী দিনে টিকা নেন ২৬ জন। দেশে প্রথম টিকা নেন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনু ভেরোনিকা কস্তা। পরদিন রাজধানীর পাঁচটি হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্সসহ পাঁচ শতাধিক কর্মীকে টিকা দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আজ সারা দেশে যেসব কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হচ্ছে, এর সবগুলোই সরকারি, আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র। এসব প্রতিষ্ঠানে মোট বুথ বা দল থাকছে এক হাজার ৪০২টি। অর্থাৎ একেকটি টিকাদানকারী দল একটি বুথ হিসেবে কাজ করছে। প্রতি বুথে থাকছেন দুজন টিকাদানকর্মী ও দুজন স্বেচ্ছাসেবক। টিকাদানকর্মীদের মধ্যে রয়েছেন নার্স, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক ও উপসহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বা সেকমো। আর স্বেচ্ছসেবকের দায়িত্বে রয়েছেন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিসহ আরো কিছু সংগঠনের কর্মীরা। টিকাদানকেন্দ্রের নিরাপত্তায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সুযোগ নিচ্ছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ

এক ম্যাচেই যত রেকর্ড ভাঙলেন মেসি

হোয়াইট হাউসে ভয়াবহ হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ, গ্রেফতার ৫

সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৮ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

এক ম্যাচেই রেকর্ডবুক তছনছ করলেন মেসি

৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পাচ্ছে ইরান?

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল চীন

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে থেকে শুরু, সংসদে জানালেন মির্জা ফখরুল

ইরানে কোনো অর্থ খরচ করবে না যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া লড়াই : নজর থাকবে যাদের ওপর

১০

বেতনের দাবিতে তেজগাঁওয়ে পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ

১১

রামিসা হত্যা মামলা: আপিল শুনানির পেপারবুক প্রস্তুত, শুনানি শুরু যে কোনো দিন

১২

নেইমারকে নিয়ে নতুন শঙ্কায় ব্রাজিল

১৩

আজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হচ্ছে বেনজীরের প্রয়োজনীয় নথিপত্র

১৪

স্কোরলাইন বলছে ড্র, ইরানের গল্প বলছে অন্য কিছু

১৫

দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর; দেশে ফেরানো কতটা সহজ?

১৬

ইরান প্রতিশ্রুতি পূরণ না করা পর্যন্ত জব্দ সম্পদ ছাড় নয়: যুক্তরাষ্ট্র

১৭

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির পর বিশ্বনেতাদের প্রশংসায় ভাসছে পাকিস্তান

১৮

বাবার দেশের বিপক্ষে বিশ্বকাপ অভিষেক, সে ম্যাচেই সুইডেনের নায়ক ইয়াসিন

১৯

দেশে স্বর্ণের দামে ফের বড় লাফ

২০