ঢাকা ০৫:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পানিসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৩৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 6

পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সচিবালয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর অফিস কক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। ‎সাক্ষাৎকালে দুদেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, ভূ-উপরিস্থ ও ভূ-গর্ভস্থ পানির সঠিক ব্যবহার, জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

‎পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, জার্মানি বাংলাদেশের বড় উন্নয়ন অংশীদার। বর্তমান সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার। জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী সরকার কাজ করতে আগ্রহী। পানি সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা, নদীর দূষণ প্রতিরোধ,  বন্যা ও জলবদ্ধতা দূরীকরণে জার্মানির সহযোগিতা আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

‎রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের পানিসম্পদ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় জার্মানি বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।

‎এ সময় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এ. কে. এম শাহাবুদ্দিন এবং জার্মান দূতাবাসের হেড অব ডেভেলপমেন্ট উলরিখ ক্লেপম্যান উপস্থিত ছিলেন।

নতুন প্রজন্মের অনলাইন টিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পানিসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

আপডেট সময় : ০১:৩৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সচিবালয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর অফিস কক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। ‎সাক্ষাৎকালে দুদেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, ভূ-উপরিস্থ ও ভূ-গর্ভস্থ পানির সঠিক ব্যবহার, জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

‎পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, জার্মানি বাংলাদেশের বড় উন্নয়ন অংশীদার। বর্তমান সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার। জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী সরকার কাজ করতে আগ্রহী। পানি সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা, নদীর দূষণ প্রতিরোধ,  বন্যা ও জলবদ্ধতা দূরীকরণে জার্মানির সহযোগিতা আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

‎রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের পানিসম্পদ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় জার্মানি বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।

‎এ সময় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এ. কে. এম শাহাবুদ্দিন এবং জার্মান দূতাবাসের হেড অব ডেভেলপমেন্ট উলরিখ ক্লেপম্যান উপস্থিত ছিলেন।