ঢাকা ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামিসা হত্যা: ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ আইনমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:২৭:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
  • / 5

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সি শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৭ দিনের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে আইনমন্ত্রী নিজেই এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ হত্যাকাণ্ডের বিচার কাজ শেষ করতে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হবে।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবী সেকশন-১১ এলাকায় একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী রামিসার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় রামিসাদের পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ও অজ্ঞাত আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর স্বপ্নাকে আটক করে পুলিশ। সোহেল আত্মগোপনে চলে গেলেও সন্ধ্যায় তাকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ দুই আসামিকে আজ আদালতে হাজির করে। অজ্ঞাত আসামি পলাতক।

মামলার পর পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করে সোহেল। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক ওহিদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ ছাড়া প্রধান আসামি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছে।

এদিকে, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রামিসার দেহের ময়নাতদন্ত হয়। পরে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। স্বজনরা রামিসাকে গ্রামের বাড়িতে দাফন করেছেন।

নতুন প্রজন্মের অনলাইন টিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রামিসা হত্যা: ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ আইনমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ১১:২৭:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সি শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৭ দিনের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে আইনমন্ত্রী নিজেই এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ হত্যাকাণ্ডের বিচার কাজ শেষ করতে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হবে।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবী সেকশন-১১ এলাকায় একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী রামিসার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় রামিসাদের পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ও অজ্ঞাত আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর স্বপ্নাকে আটক করে পুলিশ। সোহেল আত্মগোপনে চলে গেলেও সন্ধ্যায় তাকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ দুই আসামিকে আজ আদালতে হাজির করে। অজ্ঞাত আসামি পলাতক।

মামলার পর পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করে সোহেল। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক ওহিদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ ছাড়া প্রধান আসামি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছে।

এদিকে, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রামিসার দেহের ময়নাতদন্ত হয়। পরে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। স্বজনরা রামিসাকে গ্রামের বাড়িতে দাফন করেছেন।