ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাবার মরদেহ শশ্মানে পোড়ানোর সময় জ্বলন্ত চিতায় ঝাঁপ দিলেন মেয়ে

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৫০:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মে ২০২১
  • / 63

নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাসের দাপটে বিপর্যস্ত ভারত। লাশের ওপর লাশ পুড়ছে শ্মশানে। এই কঠিন সময়ের বিভিন্ন করুণ চিত্র উঠে আসছে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তবে এবার যে চিত্র উঠে এল তা ভয়ঙ্কর এমনকি, মর্মান্তিকও বটে।করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত বাবার মরদেহ শশ্মানে পোড়ানোর সময় জ্বলন্ত চিতায় ঝাঁপ দিলেন মেয়ে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের রাজস্থানের বার্মারে।

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাজস্থানের বার্মার জেলার একটি হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান দামোদরদাস শারদা নামে ৭২ বছর বয়সী এক ব্যক্তি। শশ্মানে তাকে পোড়াতে নিয়ে যাওয়া হয়। করোনাবিধি মেনে সেখানে উপস্থিত ছিলেন তার ছোট মেয়ে চন্দ্র শারদা। চিতা জ্বালানোর পরই সেই আগুনে ঝাপিয়ে পড়েন ওই নারী। সঙ্গে সঙ্গে আশেপাশের লোকেরা তাকে জ্বলন্ত চিতা থেকে টেনে বের করেন। ততক্ষণে মারাত্মকভাবে আগুনে দগ্ধ হন চন্দ্রা শারদা।তড়িঘড়ি তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তার শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশ পুড়ে গেছে।গত রবিবার দামোদরদাস শারদাকে করোনা শনাক্ত হওয়ার পর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। যদিও মঙ্গলবার তিনি মারা যান। গুরুতর দগ্ধ চন্দ্রার মা-ও কয়েকদিন আগেই মারা যান। তারপরই বাবার মৃত্যু কিছুতেই মানতে পারেননি তিনি। যার ফলেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছেন অনেকেই। সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া, গাল্ফ টুডে

নতুন প্রজন্মের অনলাইন টিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বাবার মরদেহ শশ্মানে পোড়ানোর সময় জ্বলন্ত চিতায় ঝাঁপ দিলেন মেয়ে

আপডেট সময় : ০৬:৫০:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মে ২০২১

নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাসের দাপটে বিপর্যস্ত ভারত। লাশের ওপর লাশ পুড়ছে শ্মশানে। এই কঠিন সময়ের বিভিন্ন করুণ চিত্র উঠে আসছে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তবে এবার যে চিত্র উঠে এল তা ভয়ঙ্কর এমনকি, মর্মান্তিকও বটে।করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত বাবার মরদেহ শশ্মানে পোড়ানোর সময় জ্বলন্ত চিতায় ঝাঁপ দিলেন মেয়ে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের রাজস্থানের বার্মারে।

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাজস্থানের বার্মার জেলার একটি হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান দামোদরদাস শারদা নামে ৭২ বছর বয়সী এক ব্যক্তি। শশ্মানে তাকে পোড়াতে নিয়ে যাওয়া হয়। করোনাবিধি মেনে সেখানে উপস্থিত ছিলেন তার ছোট মেয়ে চন্দ্র শারদা। চিতা জ্বালানোর পরই সেই আগুনে ঝাপিয়ে পড়েন ওই নারী। সঙ্গে সঙ্গে আশেপাশের লোকেরা তাকে জ্বলন্ত চিতা থেকে টেনে বের করেন। ততক্ষণে মারাত্মকভাবে আগুনে দগ্ধ হন চন্দ্রা শারদা।তড়িঘড়ি তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তার শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশ পুড়ে গেছে।গত রবিবার দামোদরদাস শারদাকে করোনা শনাক্ত হওয়ার পর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। যদিও মঙ্গলবার তিনি মারা যান। গুরুতর দগ্ধ চন্দ্রার মা-ও কয়েকদিন আগেই মারা যান। তারপরই বাবার মৃত্যু কিছুতেই মানতে পারেননি তিনি। যার ফলেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছেন অনেকেই। সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া, গাল্ফ টুডে