ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিরাপত্তার অজুহাতে ইসরায়েলের নতুন ভূখণ্ড দখল

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:২১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 10

ইসরাইল নিরাপত্তাকে অজুহাত হিসাবে ব্যবহার করে প্রতিবেশী দেশগুলোতে নিজেদের ভূখণ্ড বাড়ানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। শনিবার আন্তালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ইসরাইলের কার্যক্রম প্রকৃতপক্ষে আত্মরক্ষার জন্য নয়, বরং ভূখণ্ড সম্প্রসারণের কৌশলের অংশ। ইসরাইল আন্তর্জাতিক মহলে বিভ্রান্তিকর বার্তা ছড়াচ্ছে বলেও জানান তিনি। সিএনএন, ফ্রান্স ২৪।

এদিকে ইসরাইলি বাহিনী গাজায় প্রয়োগ করা কৌশলের আদলে এবার লেবাননেও ‘হলুদ রেখা’ নির্ধারণ করছে বলে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। পূর্বে ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপে উপত্যকাটিতে নির্দিষ্ট সীমারেখা বরাবর সেনা সদস্যের সরিয়ে নিয়েছিল ইসরাইল। ওই সীমারেখাকে বলা হয় ‘ইয়েলো লাইন’ বা ‘হলুদ রেখা’।

পরে ইসরাইলি বাহিনী বলে, যুদ্ধবিরতির পরের ধাপগুলোয়ও ওই সীমারেখা থেকে আর পিছিয়ে যাবে না তারা। এটিই হবে গাজা ও ইসরাইলের ‘নতুন সীমান্ত’। ঠিক একইভাবে পরিকল্পনা করে লেবাননে ‘হলুদ রেখা’ দিচ্ছে আইডিএফ সেনারা। এমন পদক্ষেপের ফলে, ইসরাইলি সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকাগুলোতে স্থানীয় বাসিন্দাদের ফিরে যেতে দেওয়া হবে না, এমনটাই জানিয়েছেন ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) শীর্ষ কর্মকর্তারা। তাদের মতে, গাজায় আগে ব্যবহৃত একই কৌশল লেবাননেও প্রয়োগ করা হচ্ছে। সেখানে ‘ইয়েলো লাইন’ বলতে এমন একটি সীমারেখা বোঝানো হয়, যা যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসাবে ইসরাইলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা নির্ধারণ করে এবং সাধারণ মানুষের জন্য তা অপ্রবেশযোগ্য থাকে।

নতুন প্রজন্মের অনলাইন টিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নিরাপত্তার অজুহাতে ইসরায়েলের নতুন ভূখণ্ড দখল

আপডেট সময় : ০১:২১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

ইসরাইল নিরাপত্তাকে অজুহাত হিসাবে ব্যবহার করে প্রতিবেশী দেশগুলোতে নিজেদের ভূখণ্ড বাড়ানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। শনিবার আন্তালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ইসরাইলের কার্যক্রম প্রকৃতপক্ষে আত্মরক্ষার জন্য নয়, বরং ভূখণ্ড সম্প্রসারণের কৌশলের অংশ। ইসরাইল আন্তর্জাতিক মহলে বিভ্রান্তিকর বার্তা ছড়াচ্ছে বলেও জানান তিনি। সিএনএন, ফ্রান্স ২৪।

এদিকে ইসরাইলি বাহিনী গাজায় প্রয়োগ করা কৌশলের আদলে এবার লেবাননেও ‘হলুদ রেখা’ নির্ধারণ করছে বলে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। পূর্বে ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপে উপত্যকাটিতে নির্দিষ্ট সীমারেখা বরাবর সেনা সদস্যের সরিয়ে নিয়েছিল ইসরাইল। ওই সীমারেখাকে বলা হয় ‘ইয়েলো লাইন’ বা ‘হলুদ রেখা’।

পরে ইসরাইলি বাহিনী বলে, যুদ্ধবিরতির পরের ধাপগুলোয়ও ওই সীমারেখা থেকে আর পিছিয়ে যাবে না তারা। এটিই হবে গাজা ও ইসরাইলের ‘নতুন সীমান্ত’। ঠিক একইভাবে পরিকল্পনা করে লেবাননে ‘হলুদ রেখা’ দিচ্ছে আইডিএফ সেনারা। এমন পদক্ষেপের ফলে, ইসরাইলি সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকাগুলোতে স্থানীয় বাসিন্দাদের ফিরে যেতে দেওয়া হবে না, এমনটাই জানিয়েছেন ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) শীর্ষ কর্মকর্তারা। তাদের মতে, গাজায় আগে ব্যবহৃত একই কৌশল লেবাননেও প্রয়োগ করা হচ্ছে। সেখানে ‘ইয়েলো লাইন’ বলতে এমন একটি সীমারেখা বোঝানো হয়, যা যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসাবে ইসরাইলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা নির্ধারণ করে এবং সাধারণ মানুষের জন্য তা অপ্রবেশযোগ্য থাকে।