Publisher
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১১:০১ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

চীনকে ঠেকাতে দুই দ্বীপকে রাষ্ট্রের মর্যাদা যুক্তরাষ্ট্রের

অনলাইন ডেস্ক: প্রশান্ত মহাসাগরে দ্য কুক আইল্যান্ডস ও নিউই দ্বীপকে ‘স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের’ মর্যাদা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বলা হচ্ছে, চীনকে এই অঞ্চলে আরেকটু চাপে রাখতেই এমন সিদ্ধান্ত।

সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই দু’টি দ্বীপরাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিচ্ছে। বাইডেনের মতে, এই দুই দ্বীপরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের সূচনা হবে শিগগিরই।

এতে করে ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চল ‘মুক্ত ও অবাধ’ হবে বলে বাইডেনের ধারণা। সঙ্গে, এই পদক্ষেপ এই অঞ্চলে অবৈধ মাছ ধরা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবকে মোকাবিলা করতে সাহায্য করবে যার ফলে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে হাঁটবে এই অঞ্চল বলে জানান বাইডেন।

সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব অ্যান্টনি ব্লিংকেন ও নিউই এর প্রধান ডালটন টাগেলাগির যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে কূটনৈতিক সম্পর্কের শুরু হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এই দুই দ্বীপের গুরুত্ব:

দুটি দ্বীপের মোট জনসংখ্যা ২০ হাজারের কাছাকাছি হলেও প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক এলাকায় তাদের দখল অনেকটাই।

স্বশাসিত দেশ হলেও নিউজিল্যান্ডের ওপর পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতির জন্য নির্ভরশীল ছিল তারা। বিশ্ব রাজনীতিতে বেশ কয়েক বছর গুরুত্বহীন হয়ে ছিল প্রশান্ত মহাসাগরের এই অঞ্চল। কিন্তু সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের ক্ষমতার লড়াইয়ে খুব অর্থবহ হয়ে উঠেছে প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণাঞ্চল। লক্ষণীয় মাত্রায় বাড়ছে চীনের অর্থনৈতিক, সামরিক ও রাজনৈতিক আগ্রহ।

বাইডেনের নতুন প্রস্তাব:

যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘোষণা বিশেষ একটি সময়ে এলো, যখন দোরগোড়ায় ১৮টি সদস্যদের নিয়ে প্যাসিফিক আইল্যান্ডস ফোরাম। এই ফোরাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগর এলাকায় প্রভাব বিস্তারের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।

এই ফোরামে রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার মতো বড় রাষ্ট্রসহ বিভিন্ন ছোট দ্বীপপুঞ্জ। কিন্তু এই ফোরামে নেই সলোমন দ্বীপের প্রধানমন্ত্রী মানাসেহ সোগাভারে, কারণ তার দেশ চীনের ঘনিষ্ঠ।

ফোরামের উদ্বোধনী পর্বে বাইডেন বলেন, ‘ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলকে নিরাপদ, মুক্ত, অবাধ ও উন্নয়নমুখী করতে অ্যামেরিকা বদ্ধপরিকর। এই লক্ষ্যে সবাই মিলে কাজ করতে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’

এই দুটি দ্বীপরাষ্ট্রের স্বীকৃতি অ্যামেরিকাকে তাদের কাজ আরও বিস্তৃত করতে সাহায্য করবে বলে জানান তিনি। বাইডেন আরও জানান, এখানে জলবায়ু পরিবর্তন রোধে, অবৈধ মাছ ধরা নিয়ন্ত্রণে এবং গণস্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন খাতে ২০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে।
প্রশান্ত মহাসাগরে দ্য কুক আইল্যান্ডস ও নিউই দ্বীপকে ‘স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের’ মর্যাদা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বলা হচ্ছে, চীনকে এই অঞ্চলে আরেকটু চাপে রাখতেই এমন সিদ্ধান্ত।

সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই দু’টি দ্বীপরাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিচ্ছে। বাইডেনের মতে, এই দুই দ্বীপরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের সূচনা হবে শিগগিরই।

এতে করে ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চল ‘মুক্ত ও অবাধ’ হবে বলে বাইডেনের ধারণা। সঙ্গে, এই পদক্ষেপ এই অঞ্চলে অবৈধ মাছ ধরা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবকে মোকাবিলা করতে সাহায্য করবে যার ফলে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে হাঁটবে এই অঞ্চল বলে জানান বাইডেন।

সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব অ্যান্টনি ব্লিংকেন ও নিউই এর প্রধান ডালটন টাগেলাগির যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে কূটনৈতিক সম্পর্কের শুরু হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এই দুই দ্বীপের গুরুত্ব

দুটি দ্বীপের মোট জনসংখ্যা ২০ হাজারের কাছাকাছি হলেও প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক এলাকায় তাদের দখল অনেকটাই।

স্বশাসিত দেশ হলেও নিউজিল্যান্ডের ওপর পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতির জন্য নির্ভরশীল ছিল তারা। বিশ্ব রাজনীতিতে বেশ কয়েক বছর গুরুত্বহীন হয়ে ছিল প্রশান্ত মহাসাগরের এই অঞ্চল। কিন্তু সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের ক্ষমতার লড়াইয়ে খুব অর্থবহ হয়ে উঠেছে প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণাঞ্চল। লক্ষণীয় মাত্রায় বাড়ছে চীনের অর্থনৈতিক, সামরিক ও রাজনৈতিক আগ্রহ।

বাইডেনের নতুন প্রস্তাব

যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘোষণা বিশেষ একটি সময়ে এলো, যখন দোরগোড়ায় ১৮টি সদস্যদের নিয়ে প্যাসিফিক আইল্যান্ডস ফোরাম। এই ফোরাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগর এলাকায় প্রভাব বিস্তারের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।

এই ফোরামে রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার মতো বড় রাষ্ট্রসহ বিভিন্ন ছোট দ্বীপপুঞ্জ। কিন্তু এই ফোরামে নেই সলোমন দ্বীপের প্রধানমন্ত্রী মানাসেহ সোগাভারে, কারণ তার দেশ চীনের ঘনিষ্ঠ।

ফোরামের উদ্বোধনী পর্বে বাইডেন বলেন, ‘ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলকে নিরাপদ, মুক্ত, অবাধ ও উন্নয়নমুখী করতে অ্যামেরিকা বদ্ধপরিকর। এই লক্ষ্যে সবাই মিলে কাজ করতে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’

এই দুটি দ্বীপরাষ্ট্রের স্বীকৃতি অ্যামেরিকাকে তাদের কাজ আরও বিস্তৃত করতে সাহায্য করবে বলে জানান তিনি। বাইডেন আরও জানান, এখানে জলবায়ু পরিবর্তন রোধে, অবৈধ মাছ ধরা নিয়ন্ত্রণে এবং গণস্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন খাতে ২০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পুলিশ ফ্যাসিবাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১

স্থানীয় নির্বাচনে পোস্টার ও জনসভা নিষিদ্ধ

২

নাঙ্গলকোট বিএনপিতে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের অভিযোগ

৩

বিরোধীদলীয় নেতাকে দেড়শ টাকার দুপুরের খাবারের নিমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর

৪

আগস্টে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.৬৬%

৫

অটোরিকশার অবৈধ চার্জিংয়ে বছরে ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি

৬

ডেঙ্গু নিয়ে সবাইকে সতর্ক করলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

৭

চলতি সেপ্টেম্বরেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল

৮

আগের সরকারের ১৩০০ প্রকল্পের অনিয়ম খতিয়ে দেখা হচ্ছে : অর্থমন্ত্রী

৯

বিভ্রান্তি ছড়িয়ে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে: প্রধানমন্ত্রী

১০

এক বছরের মধ্যে বদলে যাবে পুঁজিবাজার: বিএসইসি চেয়ারম্যান

১১

বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ

১২

সালাম তালুকদারের রাজনীতি ছিল কেবলই মানুষের জন্য: স্মরণসভায় বক্তারা

১৩

ঢাকায় যাত্রা শুরু করলো বাংলাদেশ জার্নালিস্ট প্রটেক্ট কমিটি

১৪

র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের রুনা খান

১৫

খার্গ দ্বীপ ‘উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে’ দাবি ট্রাম্পের, সঙ্গে দেওয়া ভিডিওটি এআই!

১৬

মুম্বাই বিমানবন্দরে ১১ কোটি রুপির স্বর্ণ পাচার, ৫ বাংলাদেশিসহ গ্রেফতার ৬

১৭

আরও বোয়িং কিনবে বাংলাদেশ, চুক্তিকে ‘অসাধারণ’ বললেন সার্জিও গোর

১৮

দেশে স্বর্ণের দামে ফের বড় পতন

১৯

দুই মিনিটের ব্যবধানে দু’বার ভূমিকম্পে কাঁপল কোস্টারিকা

২০