news desk
৩ মে ২০২০, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

মুক্ত, স্বাধীন এবং দায়িত্বশীল গণমাধ্যম রাষ্ট্রকে এগিয়ে নেয় : তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা: ‘রাষ্ট্রকে এগিয়ে নেয়া এবং বহুমাত্রিক সমাজ বিনির্মাণে মুক্ত, স্বাধীন এবং দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

রোববার ৩ মে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে সচিবালয়ে নিজ দপ্তর থেকে অনলাইনে দেয়া সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন। ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা যেমন প্রয়োজন একইসাথে আমাদের সম্মিলিত দায়িত্বশীলতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা মনে করি, মুক্ত, স্বাধীন ও একইসাথে দায়িত্বশীল গণমাধ্যম রাষ্ট্রকে এগিয়ে নেয়া ও একটি বহুমাত্রিক সমাজ বিনির্মাণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সকল সাংবাদিক এবং গণমাধ্যমের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে ড. হাছান বলেন, ‘বাংলাদেশে সাংবাদিকরা এবং গণমাধ্যমের সাথে যারা যুক্ত আছেন তারা, এই বৈশ্বিক দুর্যোগ করোনো পরিস্থিতির মধ্যে অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। ইতোমধ্যেই আমাদের একজন সাংবাদিক বন্ধু হুমায়ুন কবীর খোকন দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মর্মান্তিকভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন। আমি তার বিদেহী আত্মার শান্তিকামনা করছি। একইসাথে অনেক সাংবাদিক বন্ধু যারা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তারা যাতে দ্রুত আরোগ্য লাভ করেন, মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে সেই প্রার্থনা করছি।’

তথ্যমন্ত্রী এসময় পরিসংখ্যান দিয়ে বলেন, আমাদের সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও অবাধ এবং মুক্ত গণমাধ্যমে বিশ্বাস করে। সেই কারণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর বাংলাদেশে গণমাধ্যমের ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটেছে। ২০০৯ সালে দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা ছিল ৪৪৫টি, ২০২০ সালে এখন দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা ১২৯৪টি। ২০০৯ সালে সাপ্তাহিক পত্রিকার সংখ্যা ছিল ২০৮টি, এখন সেটি ১২০৮টি।’

ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের খতিয়ান দিয়ে ড. হাছান মাহমুদ জানান,‘ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ২০০৯ সালে ছিল ২টি, এখন রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ৪টি। বেসরকারি টেলিভিশন ২০০৯ সালের শুরুতে ১০টি আর এখন ৪৫টি বেসরকারি টেলিভিশনের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এফএম বেতার ২০০৯ সালে মাত্র ৪টি ছিল, এখন ২৪টি এফএম বেতার কেন্দ্রের অনুমোদন দেয়া হয়েছে, যার মধ্যে বেশির ভাগ সম্প্রচারে আছে। কমিউনিটি রেডিও ২০০৯ সালে একটিও ছিল না, এখন ৩২টি কমিউনিটি রেডিও অনুমোদন দেয়া আছে, তারমধ্যে অনেকগুলো সম্প্রচারে আছে।’

‘এই পরিসংখ্যানেই বলে যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সরকার গণমাধ্যমের অবাধ বিস্তৃতি এবং স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে এবং সেই কারণেই গত ১১ বছরে বাংলাদেশে গণমাধ্যমের ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটেছে’ বলেন তিনি।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

বিয়ের সাজে আমির-গৌরী, প্রথম ছবি প্রকাশ্যে

বিশ্বকাপে ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচে বড় আকর্ষণ হালান্ড-গ্যাব্রিয়েল দ্বৈরথ

জামায়াত-শিবিরের বাঁচার জন্য হলেও বিএনপিকে ক্ষমতায় রাখা প্রয়োজন: রাশেদ

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মারা গেছেন

রোনালদো এখনো যেকোনো দলের জন্য ভয়ঙ্কর: স্পেন গোলরক্ষক

আবার দেখা হতে যাচ্ছে দুই বন্ধুর

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

নরওয়েকে হারালে কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কারা

২০ সেকেন্ডের স্পাইডার-ম্যান টিজারে মেসির আয় ১৮৩ কোটি টাকা

১০

তেলের দামের প্রভাবে ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম

১১

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার প্রভাব তেলের দামে

১২

সংবাদ সম্মেলনের মাঝেই এলো বাবার মৃত্যুর খবর, স্তব্ধ কঙ্গো কোচ

১৩

তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহায়তার আশ্বাস চীনের

১৪

আসছে ডিজিটাল আইডি, মিলবে যেসব সেবা

১৫

যুবদল নেতা মাসুদ হত্যায় বালু সিন্ডিকেটের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ হুমাম কাদেরের

১৬

হজের জন্য প্রাক-নিবন্ধন শুরু: যেসব তথ্য দিতে বলেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়

১৭

‘আজই রোনালদোর লাস্ট ড্যান্স এখনই নয়’, বললেন মার্তিনেজ

১৮

ইরানে আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফনের প্রস্তুতি চলছে

১৯

নজরুলবর্ষ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

২০