ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভাঙ্গা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৪৮:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২০
  • / 118

নিজস্ব প্রতিবেদক :: ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজ্জাক ফকিরকে (৪৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার রাত ১১টার দিকে মানিকদহ ইউনিয়নের নাজিরপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাজ্জাক ফকির গজারিয়া গ্রামের মৃত হাকিম ফকিরের ছেলে।

এই বিষয়ে ভাঙ্গা থানার এসআই মো. শওকত হোসেন সাংবাদিকদের জানান, গ্রামের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পৌর যুবলীগ নেতা রিজুকে কুপিয়ে আহত করার মামলাসহ রাজ্জাক ফকিরের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

প্রসঙ্গত কারনে উল্লেখ্য, ভাঙ্গা পৌরসভা সীমান্ত এলাকা গজারিয়া গ্রাম। ওই গ্রামের সাবেক কমিশনার ইমদাদুল হক বাচ্চু ও রাজ্জাক ফকির দুটি গ্রাম্য দলের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিল। ক্ষমতার আধিপত্য লড়াইয়ে উভয়পক্ষের লোকজনের সাথে বিভিন্ন সময়ে রক্ষক্ষয়ী সংঘর্ষ-সংঘাতে গ্রামের সাধারণ মানুষের ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হওয়ায় চরম অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় উক্ত গ্রামে। উভয় পক্ষের থেকে থানায় মামলা হওয়ায় পুরা গ্রামটি পুরুষ শূন্য হয়ে পরে।  পৌর যুবলীগ নেতা রিজুকে কুপিয়ে জখম করার পরে রিজু পরিবারের সমর্থকেরা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজ্জাক ফকিরের বাড়ীঘরসহ তাঁর সমর্থকদের ঘর বাড়ির ব্যাপক ভাংচুর করা হয়েছে বলে জানায় গ্রামবাসী।

নতুন প্রজন্মের অনলাইন টিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ভাঙ্গা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০১:৪৮:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক :: ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজ্জাক ফকিরকে (৪৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার রাত ১১টার দিকে মানিকদহ ইউনিয়নের নাজিরপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাজ্জাক ফকির গজারিয়া গ্রামের মৃত হাকিম ফকিরের ছেলে।

এই বিষয়ে ভাঙ্গা থানার এসআই মো. শওকত হোসেন সাংবাদিকদের জানান, গ্রামের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পৌর যুবলীগ নেতা রিজুকে কুপিয়ে আহত করার মামলাসহ রাজ্জাক ফকিরের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

প্রসঙ্গত কারনে উল্লেখ্য, ভাঙ্গা পৌরসভা সীমান্ত এলাকা গজারিয়া গ্রাম। ওই গ্রামের সাবেক কমিশনার ইমদাদুল হক বাচ্চু ও রাজ্জাক ফকির দুটি গ্রাম্য দলের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিল। ক্ষমতার আধিপত্য লড়াইয়ে উভয়পক্ষের লোকজনের সাথে বিভিন্ন সময়ে রক্ষক্ষয়ী সংঘর্ষ-সংঘাতে গ্রামের সাধারণ মানুষের ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হওয়ায় চরম অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় উক্ত গ্রামে। উভয় পক্ষের থেকে থানায় মামলা হওয়ায় পুরা গ্রামটি পুরুষ শূন্য হয়ে পরে।  পৌর যুবলীগ নেতা রিজুকে কুপিয়ে জখম করার পরে রিজু পরিবারের সমর্থকেরা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজ্জাক ফকিরের বাড়ীঘরসহ তাঁর সমর্থকদের ঘর বাড়ির ব্যাপক ভাংচুর করা হয়েছে বলে জানায় গ্রামবাসী।