শীত মৌসুমে সেচের মাধ্যমে আগাম ঢেড়শ আবাদ করে মাদারীপুর সদর উপজেলার রাস্তি ইউনিয়নের তিনটি গ্রামের প্রায় ২০ জন চাষি আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন।
গ্রীষ্মকাল হচ্ছে ঢেড়শ আবাদের সঠিক সময়। এ সময় মাদারীপুর সদর উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নে কমপক্ষে ৫ ,শ চাষি ঢেড়শ আবাদ করে। তখন চাহিদা অনুযায়ী বাজারে ঢেড়শ আমদানি বেশি হওয়ায় ঢেড়শের দাম কমে যায়।এতে কৃষকের উৎপাদন খরচ ওঠে না।ফলে বেশি লাভের আশায় অনেক চাষি আগাম ঢেড়শ আবাদ করে থাকে।
সরজমিন রাস্তি ইউনিয়নের চর পুঠিয়া গ্রামের ঢেড়শ চাষি বাদল বিশ্বাস (৬৫ )এর সাথে আলাপ করে জানাযায়, এখানকার কৃষকরা অগ্রহায়ণ মাসে সেচে দিয়ে হাইব্রিড জাতের
ঢেড়শ চাষ করে থাকে। বীজ উদগীরন হবার কিছু দিন পর ইউরিয়া সার ব্যবহার করে এবং একবার সেচ দিলে গাছে ফুল আসা শুরু করে।বাদল বিশ্বাস আরো বলেন , পৌষ মাসের প্রথম সপ্তাহে ১৭০ টাকা কেজি দরে ঢেড়শ বিক্রি শুরু করি । গত ২ মাসে ২৫ শতাংশ জমির উৎপাদিত ঢেড়শ ৯০ হাজার টাকা বিক্রি করেছি।
লক্ষ্মীগন্জ গ্রামের মোক্তার মোল্লা জানান, ৩০ শতাংশ জমিতে আগাম ঢেড়শ চাষ করতে ১০ হাজার টাকা খরচ হয়। ঢেড়শ উৎপাদন ভাল হলে উক্ত জমির ঢেড়শ ৩ লাখ টাকা বিক্রি করা যায়।
চরমুগুরিয়া গ্রামের মোশারেফ বেপারী , হেমায়েত বেপারী, রেজ্জেক মিয়া, আতিয়ার খন্দকার, নান্নু সরদার। লক্ষিগন্জ গ্রামের রমিজ সরদার, সাহালোম সরদার, তৈয়বালি কাজি, সোহেল হাওলাদার মোক্তার মোল্লা, সালাম মোল্লা, জেলার মৃধা, দেলো চৌধুরী, মামুন খালাসী কালাম কাজিসহ আরো অনেকে ঢেড়শ বিক্রি করে আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়েছে।
আজ ২৪ মার্চ মাদারীপুর জেলার শহরের বড় আড়ৎদার রেজাউল কাজি জানান, বর্তমান প্রতি কেজি ঢেড়শ ৬০/৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন ধরনের তরকারি আমদানি কম থাকায় ঢেড়শ চাষিরা ঢেড়শের ভাল দাম পাচ্ছেন।
মন্তব্য করুন