ঢাকা ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদারীপুরে আত্মীয়ের বাসা থেকে একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:২৮:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
  • / 4

মাদারীপুরে আত্মীয়ের বাসা থেকে শিশুসহ একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১৭ মে) মধ্যরাতে শহরের আমিরাবাদ এলাকা থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন মাদারীপুর সদর উপজেলার কলাগাছিয়া এলাকার চিত্ময় দাস, তার স্ত্রী ইশা দাস এবং তাদের ৮ মাস বয়সি সন্তান।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, শহরের আমিরাবাদ এলাকায় মৃত বীরেন্দ্রনাথ দত্তের স্ত্রী সান্তনা রানী চন্দের বাসায় দীর্ঘ তিন বছর ধরে ভাড়া থাকতেন গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার সাতপাড় এলাকার ইতালি প্রবাসি যতীন বাড়ৈর স্ত্রী মিষ্টি বাড়ৈ।

রোববার বিকালে চাচাতো ভাই পরিচয়ে ওই বাসায় আসেন চিত্ময় দাসসহ তার পরিবারের তিন সদস্য। পরে মধ্যরাতে খবর পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, পাশের কক্ষে তখন একা ছিলেন মিষ্টি বাড়ৈ। তার ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ঘটনাটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা; তা নিশ্চিত হতে তদন্ত চলছে। তবে প্রাথমিকভাবে সন্দেহের তালিকায় মিষ্টি বাড়ৈকে রাখা হয়েছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নতুন প্রজন্মের অনলাইন টিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মাদারীপুরে আত্মীয়ের বাসা থেকে একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ১১:২৮:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

মাদারীপুরে আত্মীয়ের বাসা থেকে শিশুসহ একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১৭ মে) মধ্যরাতে শহরের আমিরাবাদ এলাকা থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন মাদারীপুর সদর উপজেলার কলাগাছিয়া এলাকার চিত্ময় দাস, তার স্ত্রী ইশা দাস এবং তাদের ৮ মাস বয়সি সন্তান।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, শহরের আমিরাবাদ এলাকায় মৃত বীরেন্দ্রনাথ দত্তের স্ত্রী সান্তনা রানী চন্দের বাসায় দীর্ঘ তিন বছর ধরে ভাড়া থাকতেন গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার সাতপাড় এলাকার ইতালি প্রবাসি যতীন বাড়ৈর স্ত্রী মিষ্টি বাড়ৈ।

রোববার বিকালে চাচাতো ভাই পরিচয়ে ওই বাসায় আসেন চিত্ময় দাসসহ তার পরিবারের তিন সদস্য। পরে মধ্যরাতে খবর পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, পাশের কক্ষে তখন একা ছিলেন মিষ্টি বাড়ৈ। তার ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ঘটনাটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা; তা নিশ্চিত হতে তদন্ত চলছে। তবে প্রাথমিকভাবে সন্দেহের তালিকায় মিষ্টি বাড়ৈকে রাখা হয়েছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।