ঢাকা ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিয়ামিকে জিতিয়ে অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়লেন মেসি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৪১:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • / 3

শনিবার রাতে লিওনেল মেসির এক গোল ও দুই অ্যাসিস্টে ইন্টার মিয়ামি টরন্টো এফসিকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে। একই সঙ্গে মেসি এমএলএসে আরও একটি বড় রেকর্ড নিজের করে নিলেন।

৩৮ বছর বয়সী এই আর্জেন্টাইন তারকা এমএলএসের ইতিহাসে দ্রুততম সময়ে ১০০টি গোলে অবদান রাখা খেলোয়াড় বনে গেছেন। ২০২৩ সালে পিএসজি থেকে মিয়ামিতে যাওয়ার পর মাত্র ৬৪টি নিয়মিত মৌসুমের ম্যাচে তিনি ৫৯ গোল ও ৪১ অ্যাসিস্ট করেছেন।

মজার ব্যাপার হচ্ছে, তিনি রেকর্ডটা গড়েছেন বিএমও স্টেডিয়ামে, টরন্টো এফসির বিপক্ষে। মেজর লিগ সকারে দ্রুততম সেঞ্চুরি রেকর্ডটা এর আগে যার কাছে ছিল, সেই সেবাস্তিয়ান জিওভিনকোর ক্লাবের মাঠে। তারই মাঠে তাকে পেছনে ফেললেন মেসি।

জিওভিনকোর ১০০ গোলে অবদান রাখতে লেগেছিল ৯৫ ম্যাচ। মেসি তার চেয়ে ৩১ ম্যাচ কম খেলে এই মাইলফলক ছুঁলেন, যা প্রায় একটি পূর্ণ এমএলএস নিয়মিত মৌসুমের সমান। এ ছাড়া মেসি সাবেক এলএ গ্যালাক্সি তারকা রবি কিন, এলএএফসির কার্লোস ভেলা এবং হোসে মার্তিনেজকেও ছাড়িয়ে গেছেন।

তবে মিয়ামির ৪-২ জয়টি পুরোপুরি বিতর্কমুক্ত ছিল না। মেসির একটি অ্যাসিস্টে লুইস সুয়ারেজ গোল করে স্কোর ২-০ করেন। কিন্তু ওই সময় টরন্টোর এক ডিফেন্ডার মাঠে আহত অবস্থায় পড়ে ছিলেন। তার কারণেই সুয়ারেজ অনসাইডে থেকে গোল করতে পারেন, যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।

অবশ্য মেসি নিজে যে গোলটি করেন, সেটি নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলার সুযোগ ছিল না। মিডফিল্ড থেকে একা ড্রিবল করে তিনি পেনাল্টি এরিয়ার কিনারায় রদ্রিগো দে পলকে বল দেন। তারপর নিজে দৌড়ে সামনে যান এবং বল ফিরে আসলে তার বিখ্যাত বাম পায়ে গোল করেন।

এই তিন পয়েন্টে ইন্টার মিয়ামি ইস্টার্ন কনফারেন্সে দ্বিতীয় স্থানে রয়ে গেছে। তবে দলটি ঘরের মাঠে এখনও জয়ের মুখ দেখেনি। এপ্রিলে নতুন নু স্টেডিয়াম চালু হওয়ার পর থেকে সেখানে এখনও কোনো জয় নেই। ঘরে ফেরার আগে মিয়ামি মাঝসপ্তাহে ওহাইওতে এফসি সিনসিনাটির মুখোমুখি হবে।

নতুন প্রজন্মের অনলাইন টিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মিয়ামিকে জিতিয়ে অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়লেন মেসি

আপডেট সময় : ১০:৪১:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

শনিবার রাতে লিওনেল মেসির এক গোল ও দুই অ্যাসিস্টে ইন্টার মিয়ামি টরন্টো এফসিকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে। একই সঙ্গে মেসি এমএলএসে আরও একটি বড় রেকর্ড নিজের করে নিলেন।

৩৮ বছর বয়সী এই আর্জেন্টাইন তারকা এমএলএসের ইতিহাসে দ্রুততম সময়ে ১০০টি গোলে অবদান রাখা খেলোয়াড় বনে গেছেন। ২০২৩ সালে পিএসজি থেকে মিয়ামিতে যাওয়ার পর মাত্র ৬৪টি নিয়মিত মৌসুমের ম্যাচে তিনি ৫৯ গোল ও ৪১ অ্যাসিস্ট করেছেন।

মজার ব্যাপার হচ্ছে, তিনি রেকর্ডটা গড়েছেন বিএমও স্টেডিয়ামে, টরন্টো এফসির বিপক্ষে। মেজর লিগ সকারে দ্রুততম সেঞ্চুরি রেকর্ডটা এর আগে যার কাছে ছিল, সেই সেবাস্তিয়ান জিওভিনকোর ক্লাবের মাঠে। তারই মাঠে তাকে পেছনে ফেললেন মেসি।

জিওভিনকোর ১০০ গোলে অবদান রাখতে লেগেছিল ৯৫ ম্যাচ। মেসি তার চেয়ে ৩১ ম্যাচ কম খেলে এই মাইলফলক ছুঁলেন, যা প্রায় একটি পূর্ণ এমএলএস নিয়মিত মৌসুমের সমান। এ ছাড়া মেসি সাবেক এলএ গ্যালাক্সি তারকা রবি কিন, এলএএফসির কার্লোস ভেলা এবং হোসে মার্তিনেজকেও ছাড়িয়ে গেছেন।

তবে মিয়ামির ৪-২ জয়টি পুরোপুরি বিতর্কমুক্ত ছিল না। মেসির একটি অ্যাসিস্টে লুইস সুয়ারেজ গোল করে স্কোর ২-০ করেন। কিন্তু ওই সময় টরন্টোর এক ডিফেন্ডার মাঠে আহত অবস্থায় পড়ে ছিলেন। তার কারণেই সুয়ারেজ অনসাইডে থেকে গোল করতে পারেন, যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।

অবশ্য মেসি নিজে যে গোলটি করেন, সেটি নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলার সুযোগ ছিল না। মিডফিল্ড থেকে একা ড্রিবল করে তিনি পেনাল্টি এরিয়ার কিনারায় রদ্রিগো দে পলকে বল দেন। তারপর নিজে দৌড়ে সামনে যান এবং বল ফিরে আসলে তার বিখ্যাত বাম পায়ে গোল করেন।

এই তিন পয়েন্টে ইন্টার মিয়ামি ইস্টার্ন কনফারেন্সে দ্বিতীয় স্থানে রয়ে গেছে। তবে দলটি ঘরের মাঠে এখনও জয়ের মুখ দেখেনি। এপ্রিলে নতুন নু স্টেডিয়াম চালু হওয়ার পর থেকে সেখানে এখনও কোনো জয় নেই। ঘরে ফেরার আগে মিয়ামি মাঝসপ্তাহে ওহাইওতে এফসি সিনসিনাটির মুখোমুখি হবে।