ঢাকা ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্প-তাইওয়ান সম্ভাব্য ফোনালাপে ক্ষুব্ধ চীন

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৮:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
  • / 1

তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তের সঙ্গে সম্ভাব্য ফোনালাপ ও অস্ত্র বিক্রির আলোচনা নিয়ে সরব ওয়াশিংটন-বেইজিং। ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাওয়ার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বেইজিং।

বুধবার (২০ মে) ট্রাম্প বলেন, ‘আমি তার সঙ্গে কথা বলব। আমি সবার সঙ্গে কথা বলি। তাইওয়ান ইস্যু নিয়েও কাজ করব ‘ মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই ঘোষণা বাস্তবায়ন হলে ১৯৭৯ সালের পর প্রথমবার কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট সরাসরি তাইওয়ানের নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।

চীন দীর্ঘদিন ধরেই তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ দাবি করে আসছে। দেশটির সরকার প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের হুমকিও দিয়ে রেখেছে। তবে ২০২৪ সালে ক্ষমতায় আসা লাই চিং-তে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়াতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছেন।

তবে ট্রাম্পের ফোনালাপের আগ্রহ ভালোভাবে নেয়নি চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র-তাইওয়ানের যেকোনো ‘আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ’ এবং অস্ত্র বিক্রির বিরোধিতা করে চীন। একইসঙ্গে ওয়াশিংটনকে ‘ভুল সংকেত’ না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলারের একটি নতুন অস্ত্র প্যাকেজ নিয়ে বিবেচনা করছে বলে জানা গেছে। এতে অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি ও আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা থাকতে পারে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিনানশিয়াল টাইমস জানিয়েছে, এই অস্ত্রচুক্তি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের চীন সফরও আটকে রেখেছে বেইজিং।

ট্রাম্প-লাই সম্ভাব্য যোগাযোগ বাস্তবে হলে তা যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের নতুন উত্তেজনার সূচনা করতে পারে। একই সঙ্গে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকেও আরও জটিল করে তুলতে পারে। তাইওয়ান বর্তমানে নিরাপত্তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল এবং চীনের সম্ভাব্য সামরিক হুমকি মোকাবিলায় নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর চাপের মধ্যে রয়েছে।

নতুন প্রজন্মের অনলাইন টিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ট্রাম্প-তাইওয়ান সম্ভাব্য ফোনালাপে ক্ষুব্ধ চীন

আপডেট সময় : ০৪:৪৮:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তের সঙ্গে সম্ভাব্য ফোনালাপ ও অস্ত্র বিক্রির আলোচনা নিয়ে সরব ওয়াশিংটন-বেইজিং। ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাওয়ার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বেইজিং।

বুধবার (২০ মে) ট্রাম্প বলেন, ‘আমি তার সঙ্গে কথা বলব। আমি সবার সঙ্গে কথা বলি। তাইওয়ান ইস্যু নিয়েও কাজ করব ‘ মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই ঘোষণা বাস্তবায়ন হলে ১৯৭৯ সালের পর প্রথমবার কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট সরাসরি তাইওয়ানের নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।

চীন দীর্ঘদিন ধরেই তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ দাবি করে আসছে। দেশটির সরকার প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের হুমকিও দিয়ে রেখেছে। তবে ২০২৪ সালে ক্ষমতায় আসা লাই চিং-তে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়াতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছেন।

তবে ট্রাম্পের ফোনালাপের আগ্রহ ভালোভাবে নেয়নি চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র-তাইওয়ানের যেকোনো ‘আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ’ এবং অস্ত্র বিক্রির বিরোধিতা করে চীন। একইসঙ্গে ওয়াশিংটনকে ‘ভুল সংকেত’ না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলারের একটি নতুন অস্ত্র প্যাকেজ নিয়ে বিবেচনা করছে বলে জানা গেছে। এতে অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি ও আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা থাকতে পারে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিনানশিয়াল টাইমস জানিয়েছে, এই অস্ত্রচুক্তি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের চীন সফরও আটকে রেখেছে বেইজিং।

ট্রাম্প-লাই সম্ভাব্য যোগাযোগ বাস্তবে হলে তা যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের নতুন উত্তেজনার সূচনা করতে পারে। একই সঙ্গে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকেও আরও জটিল করে তুলতে পারে। তাইওয়ান বর্তমানে নিরাপত্তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল এবং চীনের সম্ভাব্য সামরিক হুমকি মোকাবিলায় নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর চাপের মধ্যে রয়েছে।