ঢাকা ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ত্রিশালে ধানের শীষের জয়, বড় ব্যবধানে এগিয়ে

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:১০:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 40

ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. আছাদুজ্জামান সোহেলকে ১৪ হাজার ৬০৪ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে ঘোষিত ফলাফলে জানানো হয়, এ আসনের ১২১টি ভোটকেন্দ্রে মোট ২ লাখ ২৬ হাজার ৩২১ জন ভোটার ভোট প্রদান করেন, যা মোট ভোটারের ৫৬.৬৩ শতাংশ। এ আসনে মোট ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

ফলাফলে দেখা যায়, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন ধানের শীষ প্রতীকে ৯৮ হাজার ২২১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর প্রার্থী মো. আছাদুজ্জামান সোহেল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৮৩ হাজার ৬১৭ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ আনোয়ার সাদাত কাপ-পিরিচ প্রতীকে ৩২ হাজার ৯৯৫ ভোট পান। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রার্থী মো. ইব্রাহীম খলিল উল্লাহ হাতপাখা প্রতীকে পান ৪ হাজার ২৪ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জয়নাল আবেদীন মোটরসাইকেল প্রতীকে ১ হাজার ৪৬ ভোট পান এবং জাতীয় পার্টি-এর প্রার্থী মো. জহিরুল ইসলাম লাঙ্গল প্রতীকে পান ৫৪৪ ভোট। গণভোটে ১ লাখ ৪৭ হাজার ১৫ ভোট পেয়ে ‘হ্যাঁ’ প্রতীক জয়ী হয় এবং ‘না’ প্রতীকে পড়েছে ৪৪ হাজার ৭৮৬ ভোট।

সারাদিন উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায়। নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে প্রবীণ ভোটাররাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। প্রথমবারের মতো ভোট দিতে আসা তরুণ ভোটারদের মধ্যেও ছিল বাড়তি উৎসাহ ও উদ্দীপনা।

ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পেরে সন্তুষ্ট। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও অধিকাংশ ভোটার কোনো ধরনের ভোগান্তির অভিযোগ তোলেননি। বরং উৎসবের আমেজে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে তারা আনন্দ প্রকাশ করেন। কয়েকজন প্রবীণ ভোটার বলেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পারা গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।

সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ভোটগ্রহণ ও গণনা কার্যক্রম নির্বিঘ্নে শেষ হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে শৃঙ্খলা বজায় ছিল। প্রার্থীদের সহযোগিতায় ভোটগ্রহণ ও গণনা প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ভোটের পরিবেশ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সক্রিয় ছিলো। কোথাও কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি।

নতুন প্রজন্মের অনলাইন টিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ত্রিশালে ধানের শীষের জয়, বড় ব্যবধানে এগিয়ে

আপডেট সময় : ১২:১০:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. আছাদুজ্জামান সোহেলকে ১৪ হাজার ৬০৪ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে ঘোষিত ফলাফলে জানানো হয়, এ আসনের ১২১টি ভোটকেন্দ্রে মোট ২ লাখ ২৬ হাজার ৩২১ জন ভোটার ভোট প্রদান করেন, যা মোট ভোটারের ৫৬.৬৩ শতাংশ। এ আসনে মোট ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

ফলাফলে দেখা যায়, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন ধানের শীষ প্রতীকে ৯৮ হাজার ২২১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর প্রার্থী মো. আছাদুজ্জামান সোহেল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৮৩ হাজার ৬১৭ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ আনোয়ার সাদাত কাপ-পিরিচ প্রতীকে ৩২ হাজার ৯৯৫ ভোট পান। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রার্থী মো. ইব্রাহীম খলিল উল্লাহ হাতপাখা প্রতীকে পান ৪ হাজার ২৪ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জয়নাল আবেদীন মোটরসাইকেল প্রতীকে ১ হাজার ৪৬ ভোট পান এবং জাতীয় পার্টি-এর প্রার্থী মো. জহিরুল ইসলাম লাঙ্গল প্রতীকে পান ৫৪৪ ভোট। গণভোটে ১ লাখ ৪৭ হাজার ১৫ ভোট পেয়ে ‘হ্যাঁ’ প্রতীক জয়ী হয় এবং ‘না’ প্রতীকে পড়েছে ৪৪ হাজার ৭৮৬ ভোট।

সারাদিন উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায়। নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে প্রবীণ ভোটাররাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। প্রথমবারের মতো ভোট দিতে আসা তরুণ ভোটারদের মধ্যেও ছিল বাড়তি উৎসাহ ও উদ্দীপনা।

ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পেরে সন্তুষ্ট। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও অধিকাংশ ভোটার কোনো ধরনের ভোগান্তির অভিযোগ তোলেননি। বরং উৎসবের আমেজে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে তারা আনন্দ প্রকাশ করেন। কয়েকজন প্রবীণ ভোটার বলেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পারা গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।

সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ভোটগ্রহণ ও গণনা কার্যক্রম নির্বিঘ্নে শেষ হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে শৃঙ্খলা বজায় ছিল। প্রার্থীদের সহযোগিতায় ভোটগ্রহণ ও গণনা প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ভোটের পরিবেশ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সক্রিয় ছিলো। কোথাও কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি।