ঢাকা ০৫:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎতায়িত হয়ে ২ সন্তানের জননী নিহত

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মে ২০২১
  • / 50

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের পানান গ্রামের ২ সন্তানের জননী কমলা (৫০) বিদ্যুৎতায়িত হয়ে নিহত হয়েছে।

৬ মে বৃহস্পতিবার আনুমানিক সকাল ১০.৩০ মিনিটের সময় একই গ্রামের মেয়ের জামাইয়ের বাড়ির ঢেঁকির ঘরে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে মারা যায়, এলাকাবাসী বলে। উপজেলার পানান গ্রামের মৃত মতিয়ার রহমানের স্ত্রী কমলা (৫০) দাম্পত্য জীবনে ২ সন্তানের মা। ছেলে সৌদি প্রবাসী ও এক মেয়ে একই গ্রামে বিয়ে হয়েছে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে ঢেঁকিতে সাদা পাতা কুটতে (গুড়া) করতে যায় মেয়ের বাড়ি। ঢেঁকির ঘরে দরজায় হাত দিয়ে আর হাত সরতে পারেনি। দরজা ধরেই দাঁড়িয়ে ছিল কমলা। মেয়র জামাতা ও এলাকাবাসী এসে তাকে উদ্ধার করে নাগরপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। এ বিষয়ে আরো জানা যায়, আগে থেকেই সম্পুর্ন ঘর বিদ্যুৎতায়িত, গতকাল নাগরপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের লোক এসে তার লাগিয়ে দিয়ে গিয়েছেন। এ ঘটনার পর তারা আবার এসে মিটার খুলে নিয়ে গিয়েছে বলে জানা যায়। শোকে স্বনদের কান্নায় এলাকার আকাশ ভারি হয়ে উঠেছে।

এ বিষয়ে নাগরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়টি আমার অজানা, আমি বিষয়টি জেনে দেখি। এ বিষয়ে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. তুষার বলেন, কমলাকে মৃত অবস্থায় আমাদের কাছে আনা হয়। আমরা পরিক্ষা করে দেখি ওনি মৃত।

নতুন প্রজন্মের অনলাইন টিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎতায়িত হয়ে ২ সন্তানের জননী নিহত

আপডেট সময় : ০৭:৪৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মে ২০২১

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের পানান গ্রামের ২ সন্তানের জননী কমলা (৫০) বিদ্যুৎতায়িত হয়ে নিহত হয়েছে।

৬ মে বৃহস্পতিবার আনুমানিক সকাল ১০.৩০ মিনিটের সময় একই গ্রামের মেয়ের জামাইয়ের বাড়ির ঢেঁকির ঘরে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে মারা যায়, এলাকাবাসী বলে। উপজেলার পানান গ্রামের মৃত মতিয়ার রহমানের স্ত্রী কমলা (৫০) দাম্পত্য জীবনে ২ সন্তানের মা। ছেলে সৌদি প্রবাসী ও এক মেয়ে একই গ্রামে বিয়ে হয়েছে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে ঢেঁকিতে সাদা পাতা কুটতে (গুড়া) করতে যায় মেয়ের বাড়ি। ঢেঁকির ঘরে দরজায় হাত দিয়ে আর হাত সরতে পারেনি। দরজা ধরেই দাঁড়িয়ে ছিল কমলা। মেয়র জামাতা ও এলাকাবাসী এসে তাকে উদ্ধার করে নাগরপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। এ বিষয়ে আরো জানা যায়, আগে থেকেই সম্পুর্ন ঘর বিদ্যুৎতায়িত, গতকাল নাগরপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের লোক এসে তার লাগিয়ে দিয়ে গিয়েছেন। এ ঘটনার পর তারা আবার এসে মিটার খুলে নিয়ে গিয়েছে বলে জানা যায়। শোকে স্বনদের কান্নায় এলাকার আকাশ ভারি হয়ে উঠেছে।

এ বিষয়ে নাগরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়টি আমার অজানা, আমি বিষয়টি জেনে দেখি। এ বিষয়ে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. তুষার বলেন, কমলাকে মৃত অবস্থায় আমাদের কাছে আনা হয়। আমরা পরিক্ষা করে দেখি ওনি মৃত।