ঢাকা ১০:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অনলাইন-অফলাইনে সক্রিয় জালনোট চক্রের মৌসুমি কারবারিরা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:১৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
  • / 6

ঈদ ঘিরে অনলাইন-অফলাইনে সক্রিয় হয়ে উঠেছে জালনোট চক্রের মৌসুমি কারবারিরা। সারা বছর তৈরি করা জাল নোটের প্রায় ৭০ শতাংশই এই দুই ঈদকে কেন্দ্র করে বাজারে ছড়ানো হয়ে থাকে।ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকসহ অনলাইনের বিভিন্ন গ্রুপে পোস্ট দিয়ে তারা জালনোট কেনাবেচা করছেন। বর্তমানে এক লাখ টাকার জাল নোট বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকায়। কোনো কোনো গ্রুপে ১৫ থেকে ১৮ হাজার টাকা দাম চাওয়া হচ্ছে।

গত ১৩ মে রাতে মতিঝিলের কমলাপুর বাজার রোডের একটি সাইবার ক্যাফে থেকে জালনোট তৈরির সরঞ্জামসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৩। ১৪ মে উত্তরা ও টঙ্গী থেকে প্রায় ৩৪ লাখ টাকার জাল নোটসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা বলছেন, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গোপনে চালু রয়েছে জালনোট তৈরির কারখানা। সারা বছর উৎপাদন করা নোটগুলো পশুরহাটসহ মার্কেটগুলোতে ছড়িয়ে দিতে মাঠে সক্রিয় থাকে বহু চক্র।

চলতি মাসের শুরু থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পরে সর্বস্ব খোয়ানোর বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। ঈদ সামনে রেখে গরুর হাট, বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট ও গণপরিবহণে এই চক্রের তৎপরতা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়।

আইনসংশ্লিষ্ট ও অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌসুমি অপরাধীরা মূলত সীমান্তবর্তী অঞ্চল ও ঢাকার আশপাশের জেলা থেকে ঈদ বা কোনো উৎসবের আগে রাজধানীতে আসে। সারা বছর গ্রামে ছোটখাটো কাজ করলেও এই সময়ে বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট ও গণপরিবহণের যাত্রী সেজে সাধারণ নাগরিকত্বের সর্বস্বান্ত করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ কল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, মৌসুমি অপরাধ রুখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়াতে হবে। এছাড়া বাড়িফেরা যাত্রীসহ রাজধানীর নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে।

নতুন প্রজন্মের অনলাইন টিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

অনলাইন-অফলাইনে সক্রিয় জালনোট চক্রের মৌসুমি কারবারিরা

আপডেট সময় : ১০:১৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

ঈদ ঘিরে অনলাইন-অফলাইনে সক্রিয় হয়ে উঠেছে জালনোট চক্রের মৌসুমি কারবারিরা। সারা বছর তৈরি করা জাল নোটের প্রায় ৭০ শতাংশই এই দুই ঈদকে কেন্দ্র করে বাজারে ছড়ানো হয়ে থাকে।ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকসহ অনলাইনের বিভিন্ন গ্রুপে পোস্ট দিয়ে তারা জালনোট কেনাবেচা করছেন। বর্তমানে এক লাখ টাকার জাল নোট বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকায়। কোনো কোনো গ্রুপে ১৫ থেকে ১৮ হাজার টাকা দাম চাওয়া হচ্ছে।

গত ১৩ মে রাতে মতিঝিলের কমলাপুর বাজার রোডের একটি সাইবার ক্যাফে থেকে জালনোট তৈরির সরঞ্জামসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৩। ১৪ মে উত্তরা ও টঙ্গী থেকে প্রায় ৩৪ লাখ টাকার জাল নোটসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা বলছেন, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গোপনে চালু রয়েছে জালনোট তৈরির কারখানা। সারা বছর উৎপাদন করা নোটগুলো পশুরহাটসহ মার্কেটগুলোতে ছড়িয়ে দিতে মাঠে সক্রিয় থাকে বহু চক্র।

চলতি মাসের শুরু থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পরে সর্বস্ব খোয়ানোর বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। ঈদ সামনে রেখে গরুর হাট, বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট ও গণপরিবহণে এই চক্রের তৎপরতা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়।

আইনসংশ্লিষ্ট ও অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌসুমি অপরাধীরা মূলত সীমান্তবর্তী অঞ্চল ও ঢাকার আশপাশের জেলা থেকে ঈদ বা কোনো উৎসবের আগে রাজধানীতে আসে। সারা বছর গ্রামে ছোটখাটো কাজ করলেও এই সময়ে বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট ও গণপরিবহণের যাত্রী সেজে সাধারণ নাগরিকত্বের সর্বস্বান্ত করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ কল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, মৌসুমি অপরাধ রুখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়াতে হবে। এছাড়া বাড়িফেরা যাত্রীসহ রাজধানীর নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে।